‘অভিশপ্ত’ জীবন থেকে মুক্তির আনন্দে দুধ দিয়ে গোসল

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় এক দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদকে কেন্দ্র করে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটেছে। আইনি প্রক্রিয়ায় বিচ্ছেদ সম্পন্ন হওয়ার পর ৫ লিটার দুধ দিয়ে গোসল করেছেন পরিমল চন্দ্র দাস নামে এক ব্যক্তি। দীর্ঘদিনের ‘অভিশপ্ত’ জীবন থেকে মুক্তির আনন্দ উদযাপন করতেই তিনি এ কাজ করেছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিমল চন্দ্র দাস উপজেলার উত্তর রহমতপুর এলাকার বাসিন্দা। জানা গেছে, ২০০৯ সালে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা এলাকার প্রশান্ত দাসের মেয়ে দীপা রানী দাসের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় পরিমলের। তাদের সংসারে ১৫ বছর বয়সী একটি ছেলে ও ৭ বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।  পরিমলের দাবি, বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য কলহ চলছিল। জীবিকার প্রয়োজনে একসময় তিনি শ্বশুরবাড়িতে বসবাস শুরু করলেও সেখানে নির্যাতন ও হুমকির শিকার হন বলে অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে তিনি সেখান থেকে চলে এসে গত ছয় বছর ধরে আলাদা বসবাস করছিলেন। দীর্ঘদিন পারিবারিকভাবে সমঝোতার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান না হওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় গড়ায়।  স্থানীয় সূত্র ও হলফনামা অনুযায়ী, গত ১৫ এপ্রিল

‘অভিশপ্ত’ জীবন থেকে মুক্তির আনন্দে দুধ দিয়ে গোসল

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় এক দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদকে কেন্দ্র করে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটেছে। আইনি প্রক্রিয়ায় বিচ্ছেদ সম্পন্ন হওয়ার পর ৫ লিটার দুধ দিয়ে গোসল করেছেন পরিমল চন্দ্র দাস নামে এক ব্যক্তি। দীর্ঘদিনের ‘অভিশপ্ত’ জীবন থেকে মুক্তির আনন্দ উদযাপন করতেই তিনি এ কাজ করেছেন বলে জানা গেছে।

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিমল চন্দ্র দাস উপজেলার উত্তর রহমতপুর এলাকার বাসিন্দা।

জানা গেছে, ২০০৯ সালে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা এলাকার প্রশান্ত দাসের মেয়ে দীপা রানী দাসের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় পরিমলের। তাদের সংসারে ১৫ বছর বয়সী একটি ছেলে ও ৭ বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে। 

পরিমলের দাবি, বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য কলহ চলছিল। জীবিকার প্রয়োজনে একসময় তিনি শ্বশুরবাড়িতে বসবাস শুরু করলেও সেখানে নির্যাতন ও হুমকির শিকার হন বলে অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে তিনি সেখান থেকে চলে এসে গত ছয় বছর ধরে আলাদা বসবাস করছিলেন। দীর্ঘদিন পারিবারিকভাবে সমঝোতার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান না হওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় গড়ায়। 

স্থানীয় সূত্র ও হলফনামা অনুযায়ী, গত ১৫ এপ্রিল নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। আইনি কাগজ হাতে পাওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নিজ বাড়িতে দুধ দিয়ে গোসল করে দীর্ঘদিনের ‘অভিশপ্ত’ জীবন থেকে মুক্তির আনন্দ উদযাপন করেন পরিমল।

পরিমল চন্দ্র দাস আরও দাবি করেন, আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদের আগেই তার স্ত্রী অন্যত্র বিয়ে করেছেন। তবে এ বিষয়ে অন্য পক্ষের কোনো বক্তব্য বা প্রমাণ তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, এই দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক অশান্তি চলছিল। একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান আসেনি।

রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সুমন সিকদার বলেন, পরিমল চন্দ্র দাস ও দীপা রানী দাসের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে পরিমল ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগও দিয়েছিলেন। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের বিচ্ছেদ ও দুধ দিয়ে গোসলের বিষয়টি জানতে পেরেছি। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow