অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের সন্তানরা পাবেন স্নাতক পর্যন্ত পড়ার খরচ : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাখাতে সরকারের ১৮০ দিনের বিশেষ অগ্রাধিকার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই কর্মসূচির আওতায় ‘জুলাই বিপ্লবে’ শহিদ এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী ‘জুলাই শিক্ষার্থীদের সন্তানদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান। সভায় ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিকল্পনা এবং আগামী পাঁচ বছরের শিক্ষা খাতের উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মন্ত্রী জানান, ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচিতে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই সময়ের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ২ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও জুতা (কেডস) বিতরণ, পর্যায়ক্রমে দেশের সকল প্রাথমিক শিক্ষার্থী এই সুবিধা পাবে। ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচির আওতায় থাকবে এক বছরের মধ্যে প্রাথমিক, কারিগরি, মাদ্রাসা ও স্কুল-কলেজের সকল শিক্ষকের হা

অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের সন্তানরা পাবেন স্নাতক পর্যন্ত পড়ার খরচ : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষাখাতে সরকারের ১৮০ দিনের বিশেষ অগ্রাধিকার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই কর্মসূচির আওতায় ‘জুলাই বিপ্লবে’ শহিদ এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী ‘জুলাই শিক্ষার্থীদের সন্তানদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান। সভায় ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিকল্পনা এবং আগামী পাঁচ বছরের শিক্ষা খাতের উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মন্ত্রী জানান, ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচিতে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই সময়ের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ২ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও জুতা (কেডস) বিতরণ, পর্যায়ক্রমে দেশের সকল প্রাথমিক শিক্ষার্থী এই সুবিধা পাবে। ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচির আওতায় থাকবে এক বছরের মধ্যে প্রাথমিক, কারিগরি, মাদ্রাসা ও স্কুল-কলেজের সকল শিক্ষকের হাতে ট্যাব সরবরাহ। এছাড়া মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম নিশ্চিত করা হবে।  শিক্ষামন্ত্রী আরো জানান, বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা শিক্ষা এবং সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে। ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি এবং হাফেজে কুরআনদের বিশেষ সম্মান ও স্বীকৃতি প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।  শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এখন থেকে উপজেলা পর্যায়ে ‘গণিত অলিম্পিয়াড’ চালু করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলকভাবে ‘বিতর্ক প্রতিযোগিতা’ ও ‘বিতর্ক ক্লাব’ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।  সভায় উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow