অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে, রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার: প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের সময় দেশের অর্থনীতি ছিল ‘বিপর্যস্ত ও তলাবিহীন’। ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন, রাজস্ব ও করনীতিতে সংস্কার এবং মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।’ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৯টায় জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া বিদায়ী ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন আর আন্তর্জাতিক লেনদেনে চোখে অন্ধকার দেখব না। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এবং প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে।’ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরবরাহ বৃদ্ধি, টিসিবির কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বাজার তদারকি জোরদারের কথাও তুলে ধরেন তিনি। শ্রমিক অধিকার সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা-এর গুরুত্বপূর্ণ কনভেনশন অনুসমর্থন ও নতুন শ্রম আইন প্রণয়নের কথাও বিদায়ী ভাষণে উল্লেখ করেন। ড. ইউনূস বলেন, ‘আমাদের প্রথম কাজ ছিল দেশকে সচল করা। এটা ছিল সবচাইতে কঠিন কাজ। যারা দেশকে লুটেপুটে খেত তারাই দেশের এই যন্ত্র চালাতো। তাদের একান্ত অনুগত লোক নিয়ে অভ্যুত্থানের সঙ্গে সঙ্গে সবাই পালিয়েছে। বড় কর

অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে, রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার: প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের সময় দেশের অর্থনীতি ছিল ‘বিপর্যস্ত ও তলাবিহীন’। ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন, রাজস্ব ও করনীতিতে সংস্কার এবং মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।’

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৯টায় জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া বিদায়ী ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন আর আন্তর্জাতিক লেনদেনে চোখে অন্ধকার দেখব না। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এবং প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে।’

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরবরাহ বৃদ্ধি, টিসিবির কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বাজার তদারকি জোরদারের কথাও তুলে ধরেন তিনি। শ্রমিক অধিকার সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা-এর গুরুত্বপূর্ণ কনভেনশন অনুসমর্থন ও নতুন শ্রম আইন প্রণয়নের কথাও বিদায়ী ভাষণে উল্লেখ করেন।

ড. ইউনূস বলেন, ‘আমাদের প্রথম কাজ ছিল দেশকে সচল করা। এটা ছিল সবচাইতে কঠিন কাজ। যারা দেশকে লুটেপুটে খেত তারাই দেশের এই যন্ত্র চালাতো। তাদের একান্ত অনুগত লোক নিয়ে অভ্যুত্থানের সঙ্গে সঙ্গে সবাই পালিয়েছে। বড় কর্তা পালিয়েছে। মাঝারি কর্তা পালিয়েছে। অন্যরা ভোল পাল্টিয়েছে। অথবা আত্মগোপনে চলে গেছে। কেউ নানাজনের সুপারিশ নিয়ে আসছে তারা অভ্যুত্থানের গোপন সৈনিক ইত্যাদি। সরকারের ভেতরে যারা পালিয়ে যায়নি তাদের মধ্যে কাকে বিশ্বাস করবেন, কাকে করবেন না- এটি মহাসংকট হয়ে দাঁড়াল। যতই মৃতদেহের, অঙ্গপ্রত্যঙ্গহীন দেহের সন্ধান আসছিল ততই তারা চিহ্নিত হচ্ছিল।’

তিনি বলেন, ‘সেই থেকে ১৮ মাস চলে গেছে। অবশেষে ১২ ফেব্রুয়ারি আসলো। দেড় যুগ পর দেশে একটি জাতীয় নির্বাচন এবং ব্যাপক সাংবিধানিক পরিবর্তনের জন্য সর্বসম্মত জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠান হলো। এই নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ, দেশের সর্বত্র একটা ঈদের পরিবেশ ছিল যা আমাদের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

কেএসআর/আরএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow