অস্ট্রেলিয়াকে কাঁদিয়ে তৃতীয়বারের মতো এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন জাপান

রেকর্ড গড়া দর্শকদের স্তব্ধ করে দিয়ে এশিয়ান কাপের মুকুট পুনরুদ্ধার করলো জাপান। আজ শনিবার টুর্নামেন্টের স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে গত চার আসরের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলো \'নাদেশিকো\'রা। স্বাগতিক ও শক্তিমত্তা মিলিয়ে এবারের আসরে অন্যতম হট ফেভারিট ছিল অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা। ফাইনালে দর্শকরাও রেকর্ড গড়েছিলেন, গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন ৭৪,৩৫৭ জন দর্শক। যা নারী এশিয়ান কাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড। তবে রেকর্ড দর্শকের হৃদয় ভেঙে শিরোপা জিতে নিয়েছে জাপানের মেয়েরা। এটি জাপানের সপ্তম এশিয়ান কাপ ফাইনাল ছিল। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের পর এবার ২০২৬ সালেও ট্রফি জিতে তারা নিজেদের দাপট প্রমাণ করল। অন্যদিকে ঘরের মাঠে রেকর্ড গড়া দর্শকদের সামনে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েন অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলাররা। এদিন খেলার শুরুতেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন জাপানি ফরোয়ার্ড মাইকা হামানো। ম্যাচের ১৭তম মিনিটে ডি-বক্সের ৫ মিটার দূর থেকে চমৎকার এক টার্ন নিয়ে জোরালো শট নেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক ম্যাকেঞ্জি আর্নল্ড ডাইভ দিয়েও বলের নাগাল পাননি, বল জালে জড়ালে লিড নেয়

অস্ট্রেলিয়াকে কাঁদিয়ে তৃতীয়বারের মতো এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন জাপান

রেকর্ড গড়া দর্শকদের স্তব্ধ করে দিয়ে এশিয়ান কাপের মুকুট পুনরুদ্ধার করলো জাপান। আজ শনিবার টুর্নামেন্টের স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে গত চার আসরের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলো 'নাদেশিকো'রা। স্বাগতিক ও শক্তিমত্তা মিলিয়ে এবারের আসরে অন্যতম হট ফেভারিট ছিল অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা। ফাইনালে দর্শকরাও রেকর্ড গড়েছিলেন, গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন ৭৪,৩৫৭ জন দর্শক। যা নারী এশিয়ান কাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড। তবে রেকর্ড দর্শকের হৃদয় ভেঙে শিরোপা জিতে নিয়েছে জাপানের মেয়েরা।

এটি জাপানের সপ্তম এশিয়ান কাপ ফাইনাল ছিল। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের পর এবার ২০২৬ সালেও ট্রফি জিতে তারা নিজেদের দাপট প্রমাণ করল। অন্যদিকে ঘরের মাঠে রেকর্ড গড়া দর্শকদের সামনে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েন অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলাররা।

এদিন খেলার শুরুতেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন জাপানি ফরোয়ার্ড মাইকা হামানো। ম্যাচের ১৭তম মিনিটে ডি-বক্সের ৫ মিটার দূর থেকে চমৎকার এক টার্ন নিয়ে জোরালো শট নেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক ম্যাকেঞ্জি আর্নল্ড ডাইভ দিয়েও বলের নাগাল পাননি, বল জালে জড়ালে লিড নেয় সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

পুরো ম্যাচে ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া সমানে সমান লড়াই করলেও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাদের হতাশ হতে হয়েছে। দলটির রেকর্ড গোলদাতা স্যাম কারকে কড়া মার্কিংয়ে আটকে রাখে জাপানের রক্ষণভাগ। অন্যদিকে একাধিক সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন আরেক স্ট্রাইকার ক্যাটলিন ফোর্ড।

ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে স্বাগতিক দর্শকরা সমস্বরে গর্জে উঠলে একের পর এক আক্রমণ চালায় 'ম্যাটিল্ডাস'রা। বদলি খেলোয়াড় এমিলি ভ্যান এগমন্ডের দুটি শট রুখে দেয় জাপানি ডিফেন্ডাররা। একদম শেষ মুহূর্তে এলি কার্পেন্টারের ক্রস থেকে আলানা কেনেডির হেডটি দুর্দান্তভাবে সেভ করেন জাপানি গোলরক্ষক আয়াকা ইয়ামাশিতা।

এসকেডি/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow