অস্ট্রেলিয়ায় ক্যানসার কাউন্সিলের তহবিল সংগ্রহে ‘গুড মর্নিং বাংলাদেশ লাকেম্বা’ অনুষ্ঠিত
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের লাকেম্বায় অবস্থিত পেরি পার্কের অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল স্পোর্টস ক্লাবে রবিবার (১২ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে জনপ্রিয় চ্যারিটি আয়োজন ‘গুড মর্নিং বাংলাদেশ লাকেম্বা’। ক্যানসার কাউন্সিল এনএসডব্লিউ-এর জন্য তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে আয়োজিত এই মানবিক উদ্যোগটি এবার ১৮তম বছরে পদার্পণ করেছে। দীর্ঘদিন ধরে সিডনির বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কমিউনিটির অন্যতম বৃহৎ জনকল্যাণমূলক আয়োজন হিসেবে পরিচিত এই অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি, বিভিন্ন কমিউনিটি সংগঠনের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউ সাউথ ওয়েলসের ৪৭তম প্রিমিয়ার ক্রিস মিনস। তিনি ক্যানসার গবেষণা ও রোগী সহায়তায় বাংলাদেশি কমিউনিটির দীর্ঘদিনের অবদান এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শ্যাডো মিনিস্টার ফর মাল্টিকালচারালিজম মার্ক কোর এমপি। তিনি বহুসাংস্কৃতিক সমাজ গঠনে বাংলাদেশি কমিউনিটির ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতা কামনা করেন। অনুষ্ঠানের সূচনা
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের লাকেম্বায় অবস্থিত পেরি পার্কের অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল স্পোর্টস ক্লাবে রবিবার (১২ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে জনপ্রিয় চ্যারিটি আয়োজন ‘গুড মর্নিং বাংলাদেশ লাকেম্বা’। ক্যানসার কাউন্সিল এনএসডব্লিউ-এর জন্য তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে আয়োজিত এই মানবিক উদ্যোগটি এবার ১৮তম বছরে পদার্পণ করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে সিডনির বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কমিউনিটির অন্যতম বৃহৎ জনকল্যাণমূলক আয়োজন হিসেবে পরিচিত এই অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি, বিভিন্ন কমিউনিটি সংগঠনের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবীরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউ সাউথ ওয়েলসের ৪৭তম প্রিমিয়ার ক্রিস মিনস। তিনি ক্যানসার গবেষণা ও রোগী সহায়তায় বাংলাদেশি কমিউনিটির দীর্ঘদিনের অবদান এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শ্যাডো মিনিস্টার ফর মাল্টিকালচারালিজম মার্ক কোর এমপি। তিনি বহুসাংস্কৃতিক সমাজ গঠনে বাংলাদেশি কমিউনিটির ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। এরপর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন সাবিত ইবনে মাহমুদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সুপরিচিত উপস্থাপক উষা হান্নান এবং সহ-সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অর্থোরা হায়াত।
স্বাগত বক্তব্য দেন ‘গুড মর্নিং বাংলাদেশ লাকেম্বা’-এর প্রধান আয়োজক ও বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট সংগঠক ফারুক হান্নান। তিনি জানান, গত ২৫ বছরে এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্যানসার গবেষণা, রোগী সহায়তা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমের জন্য ৪ লাখ ৮৩ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলারেরও বেশি অর্থ সংগ্রহ করে ক্যানসার কাউন্সিল এনএসডব্লিউ-কে প্রদান করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এই মানবিক কার্যক্রমে কমিউনিটির সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ফোরাম ফর কমিউনিটি এনগেজমেন্টের সভাপতি এবং ‘গুড মর্নিং বাংলাদেশ’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ডা. আয়াজ চৌধুরী। তিনি মানবিক সেবামূলক কর্মকাণ্ডে কমিউনিটির ঐক্য, অংশগ্রহণ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর বারবারা কুরি, ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলর আশিকুর (অ্যাশ) রহমান, সাবেক কাউন্সিলর সাবরিনা ফারুকী ওএএম, ম্যাককুয়ারি ইউনিভার্সিটির কর্মকর্তা ও কমিউনিটি সংগঠক তানভীর শহীদ, রুবাইয়াত হক শাথী, এনামুল হক, ডা. রফিকুর রহমান, ইউনুস মণ্ডল, সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল মতিন, সাংবাদিক এএইচএম মাসুম বিল্লাহ, ডিন গিলেসপি, জামিল হোসেন, অ্যানি জাহান, ময়না হক, লিয়াকত আলী শাপণ, শফিক আলম, মাসুদ রানা, ফয়সাল মুরাদ, ডা. আবদুল ওয়াহাব, বীর মুক্তিযোদ্ধা আপেল মাহমুদ, ধীদার জাফরসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বীকৃতিপত্র প্রদান করা হয়। প্রিমিয়ারক্রিস মিনস, মার্ক কোর এমপি, ডা. আয়াজ চৌধুরীসহ অন্যান্য অতিথিরা সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
অতিথিদের জন্য পরিবেশন করা হয় ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি সকালের নাশতা, যা অনুষ্ঠানে এক অনন্য দেশীয় আবহ সৃষ্টি করে।
‘গুড মর্নিং বাংলাদেশ লাকেম্বা’ শুধু একটি তহবিল সংগ্রহ কর্মসূচিই নয়, এটি মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং বহুসাংস্কৃতিক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল প্রতীক। ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও একই আন্তরিকতা ও উদ্দীপনায় অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
What's Your Reaction?