ডাকাত চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার
দিনাজপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাত দলের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং একটি পিকআপভ্যান উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (০১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় দিনাজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সুমন রঞ্জন সরকার এ তথ্য জানান। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার জঙ্গল মুকন্দপুর গ্রামের মৃত মজলিশ শেখের ছেলে মো. সোহানুল ইসলাম, একই জেলার কোটালিপাড়ার মুসুরিয়া গ্রামের মৃত মহানন্দ বালার ছেলে বরুন বালা, ভোলা সদরের রাজাপুরা (পশ্চিম ইলিশা) এলাকার মৃত আব্দুল গনির ছেলে মো. খলিল এবং রংপুরের মিঠাপুকুর থানার মুরাদপুর গ্রামের মো. আবুল কালামের ছেলে মো. দুলাল মিয়া। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন রঞ্জন সরকার জানান, গত ৩০ জুন রাত সাড়ে ৭টার দিকে দিনাজপুরের কোতয়ালী থানার বাহাদুর বাজার স্টেশন রোড এলাকার হোটেল রাজের তৃতীয় তলার ৩০৬ নম্বর কক্ষে কয়েকজন আন্তঃজেলা ডাকাত সদস্য ডাকাতির উদ্দেশে দেশীয় অস্ত্রসহ অবস্থান করছে এমন সংবাদ পায় ডিবি পুলিশ। অভিযান চালিয়ে ওই কক্ষ থেকে
দিনাজপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাত দলের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং একটি পিকআপভ্যান উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (০১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় দিনাজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সুমন রঞ্জন সরকার এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার জঙ্গল মুকন্দপুর গ্রামের মৃত মজলিশ শেখের ছেলে মো. সোহানুল ইসলাম, একই জেলার কোটালিপাড়ার মুসুরিয়া গ্রামের মৃত মহানন্দ বালার ছেলে বরুন বালা, ভোলা সদরের রাজাপুরা (পশ্চিম ইলিশা) এলাকার মৃত আব্দুল গনির ছেলে মো. খলিল এবং রংপুরের মিঠাপুকুর থানার মুরাদপুর গ্রামের মো. আবুল কালামের ছেলে মো. দুলাল মিয়া।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন রঞ্জন সরকার জানান, গত ৩০ জুন রাত সাড়ে ৭টার দিকে দিনাজপুরের কোতয়ালী থানার বাহাদুর বাজার স্টেশন রোড এলাকার হোটেল রাজের তৃতীয় তলার ৩০৬ নম্বর কক্ষে কয়েকজন আন্তঃজেলা ডাকাত সদস্য ডাকাতির উদ্দেশে দেশীয় অস্ত্রসহ অবস্থান করছে এমন সংবাদ পায় ডিবি পুলিশ। অভিযান চালিয়ে ওই কক্ষ থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি বলেন, অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র, বিভিন্ন সরঞ্জামাদি এবং ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১-৫৫২৩ নম্বরের একটি নিশান ডাবল কেবিন ক্যারি বয় পিকাপ জব্দ করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের দুই সহযোগী ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানার মো. রোমান (২৮) ও মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানার ভুরঘাটা এলাকার মো. রনি (২৪) একটি সাদা প্রাইভেটকারে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছে, তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল টাওয়ারের পাওয়ার হাউজে সংরক্ষিত ব্যাটারি ও অন্যান্য মূল্যবান সরঞ্জাম পরিকল্পিতভাবে ডাকাতি করত। ডাকাতির সময় নিরাপত্তাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে তারা নিজেদের বিভিন্ন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী, টেকনিশিয়ান ও চালক হিসেবে পরিচয় দিত এবং ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার করত।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
What's Your Reaction?