ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেলেন আওয়ামী লীগ নেতা
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ২নং চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও চন্দননগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউজ্জামান (বদি) হাইকোর্টের নির্দেশনা ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সিদ্ধান্তে পুনরায় চেয়ারম্যানের প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব ফিরে পেয়েছেন। জানা গেছে, একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় পাঁচ মাস কারাগারে থাকায় তার অনুপস্থিতিতে প্যানেল চেয়ারম্যান ময়নুল ইসলামের ওপর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছিল। জামিনে মুক্তির পর বদিউজ্জামান দায়িত্ব পুনর্বহালের দাবিতে হাইকোর্টে রিট করেন। শুনানি শেষে আদালত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইন অনুযায়ী বিষয়টি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার বিভাগ উপজেলা প্রশাসনের প্রতিবেদন ও আদালতের নির্দেশনা পর্যালোচনা করে চেয়ারম্যান বদিউজ্জামানকে পুনরায় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব প্রদান করেন এবং প্যানেল চেয়ারম্যানের ওপর অর্পিত দায়িত্ব প্রত্যাহার করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান ময়নুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছি এবং বর্তমানে ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। চেয়ারম্যান
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ২নং চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও চন্দননগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউজ্জামান (বদি) হাইকোর্টের নির্দেশনা ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সিদ্ধান্তে পুনরায় চেয়ারম্যানের প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব ফিরে পেয়েছেন।
জানা গেছে, একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় পাঁচ মাস কারাগারে থাকায় তার অনুপস্থিতিতে প্যানেল চেয়ারম্যান ময়নুল ইসলামের ওপর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছিল। জামিনে মুক্তির পর বদিউজ্জামান দায়িত্ব পুনর্বহালের দাবিতে হাইকোর্টে রিট করেন। শুনানি শেষে আদালত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইন অনুযায়ী বিষয়টি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।
পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার বিভাগ উপজেলা প্রশাসনের প্রতিবেদন ও আদালতের নির্দেশনা পর্যালোচনা করে চেয়ারম্যান বদিউজ্জামানকে পুনরায় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব প্রদান করেন এবং প্যানেল চেয়ারম্যানের ওপর অর্পিত দায়িত্ব প্রত্যাহার করা হয়।
দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান ময়নুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছি এবং বর্তমানে ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান বলেন, আমার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত। তার চিকিৎসার জন্য আমি দীর্ঘদিন বিভিন্ন হাসপাতালে অবস্থান করছিলাম। এ সময় একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দেওয়া হয় আমার নামে। পরবর্তীতে সেই মামলায় আত্মসমর্পণ করলে আমাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমি দীর্ঘ ৫ মাস পর জামিনে মুক্তি লাভ করি। আমার অনুপস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম সচল রাখতে স্থানীয় প্রশাসন প্যানেল চেয়ারম্যানের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করে। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আমি ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনগত প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন করি। শুনানি শেষে হাইকোর্ট আমাকে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি আরও বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আমি ইতোমধ্যে দায়িত্ব পালন শুরু করেছি। তবে সম্প্রতি জানতে পারছি, একটি কুচক্রী মহল হাইকোর্টের রায়কে অবমাননা করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমি হাইকোর্টের রায়ের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। কেউ যদি এ রায়ের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন, তাহলে উচ্চতর আদালতে আপিল করার সুযোগ তাদের রয়েছে। ভবিষ্যতে আদালত যদি ভিন্ন কোনো সিদ্ধান্ত দেন, আমি তা মেনে নেব। তবে যতদিন আদালতের বর্তমান রায় কার্যকর থাকবে, ততদিন আমি নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করতে চাই। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।
নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুর্শিদা খাতুন বলেন, আগের চেয়ারম্যান হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করে বৈধতা নিয়ে এসেছে। এখন পরিষদে বসলে স্থানীয়ভাবে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হবে কিনা তা ঠিক করবেন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা।
What's Your Reaction?