আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে: শেখ রবিউল আলম
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত তৎপর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে তারা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব দেখাচ্ছেন। এসব কথা বলেছেন ঢাকা-১০ আসনের বিএনপি প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি ওয়াইডাব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে ভোটপ্রদান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। শেখ রবিউল আলম, এবারের নির্বাচনি পরিবেশ আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় ভিন্ন। ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন, নির্বিঘ্নে নিজেদের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে পারছেন। ভোটের মাঠে কোনো আধিপত্যবাদের প্রভাব নেই। মানুষ স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে। নিজের জয়ের সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে রবিউল বলেন, আমি এই এলাকায় ৩৩ বছর ধরে রাজনীতি করছি। এলাকাবাসী আমাকে জানে, আমিও তাদের জানি। এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক স্বার্থ রক্ষায় আমি সব সময় কাজ করেছি। এখানকার মানুষ আমাকে জনপ্রতিনিধি বানানোর সুযোগ দিলে আমি তাদের ভালোবাসার মর্যাদা রাখব। ঢাকা-১০ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির শেখ রবিউল আলম, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির বহ্
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত তৎপর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে তারা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব দেখাচ্ছেন। এসব কথা বলেছেন ঢাকা-১০ আসনের বিএনপি প্রার্থী শেখ রবিউল আলম।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি ওয়াইডাব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে ভোটপ্রদান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
শেখ রবিউল আলম, এবারের নির্বাচনি পরিবেশ আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় ভিন্ন। ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন, নির্বিঘ্নে নিজেদের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে পারছেন। ভোটের মাঠে কোনো আধিপত্যবাদের প্রভাব নেই। মানুষ স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে।
নিজের জয়ের সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে রবিউল বলেন, আমি এই এলাকায় ৩৩ বছর ধরে রাজনীতি করছি। এলাকাবাসী আমাকে জানে, আমিও তাদের জানি। এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক স্বার্থ রক্ষায় আমি সব সময় কাজ করেছি। এখানকার মানুষ আমাকে জনপ্রতিনিধি বানানোর সুযোগ দিলে আমি তাদের ভালোবাসার মর্যাদা রাখব।
ঢাকা-১০ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির শেখ রবিউল আলম, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির বহ্নি বেপারী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মো. জসীম উদ্দীন সরকার, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবদুল আউয়াল, হাতি প্রতীকে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. আবু হানিফ হৃদয়।
এছাড়াও বাংলাদেশ লেবার পার্টির পক্ষে আনারস প্রতীকে আবুল কালাম আজাদ, এবি পার্টির পক্ষে ঈগল প্রতীকে নাসরীন সুলতানা, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের পক্ষে ছড়ি প্রতীকে মো. আনিছুর রহমান, আমজনতার দলের পক্ষে প্রজাপতি প্রতীকে আব্দুল্লাহ আল হুসাইন এবং জনতার দলের কলম প্রতীকে মো. জাকির হোসেন।
টিটি/জেএস/
What's Your Reaction?