আইপিএলকে টেক্কা দিতে আরেক ধাপ এগোল মোস্তাফিজদের লিগ, সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রিতে রেকর্ড

নতুন এক মাইলফলক ছুঁয়েছে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)। সম্প্রচারের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চুক্তি করেছে রিশাদ-মোস্তাফিজদের এই লিগ। আগামী চার বছরের জন্য সম্প্রচার ও সরাসরি সম্প্রচারের স্বত্ব কিনে নিয়েছে ওয়ালি টেকনোলজিস। চুক্তির মূল্য প্রায় ৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা পাকিস্তানি মুদ্রায় প্রায় ২৬১১ কোটি রুপি। এই চুক্তি কার্যকর হবে ২০২৬ মৌসুম থেকে এবং চলবে ২০২৯ সাল পর্যন্ত। অর্থাৎ পরবর্তী চার বছর পাকিস্তান সুপার লিগের ম্যাচ দেখানোর পুরো দায়িত্ব থাকবে ওয়ালির হাতে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রতিষ্ঠানটি পিন্ডি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানার সঙ্গেও যুক্ত। আর্থিক দিক থেকে এটি পাকিস্তান সুপার লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্প্রচার চুক্তি। টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, এটি লিগটির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও বাণিজ্যিক শক্তিরই প্রমাণ। চুক্তির মূল্য কেন এত বেড়েছে, তার পেছনে বড় কারণ ম্যাচ সংখ্যা বৃদ্ধি। আগে যেখানে ম্যাচ ছিল ৩৪টি, এখন দল বেড়ে হওয়ায় ম্যাচ হবে ৪৪টি। লিগ এখন আট দলের প্রতিযোগিতা। তবে শুধু ম্যাচ বাড়ার কারণেই মূল্য বেড়েছে, এমন নয়। পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি ম্যাচের গড় মূল্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়

আইপিএলকে টেক্কা দিতে আরেক ধাপ এগোল মোস্তাফিজদের লিগ, সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রিতে রেকর্ড
নতুন এক মাইলফলক ছুঁয়েছে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)। সম্প্রচারের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চুক্তি করেছে রিশাদ-মোস্তাফিজদের এই লিগ। আগামী চার বছরের জন্য সম্প্রচার ও সরাসরি সম্প্রচারের স্বত্ব কিনে নিয়েছে ওয়ালি টেকনোলজিস। চুক্তির মূল্য প্রায় ৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা পাকিস্তানি মুদ্রায় প্রায় ২৬১১ কোটি রুপি। এই চুক্তি কার্যকর হবে ২০২৬ মৌসুম থেকে এবং চলবে ২০২৯ সাল পর্যন্ত। অর্থাৎ পরবর্তী চার বছর পাকিস্তান সুপার লিগের ম্যাচ দেখানোর পুরো দায়িত্ব থাকবে ওয়ালির হাতে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রতিষ্ঠানটি পিন্ডি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানার সঙ্গেও যুক্ত। আর্থিক দিক থেকে এটি পাকিস্তান সুপার লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্প্রচার চুক্তি। টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, এটি লিগটির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও বাণিজ্যিক শক্তিরই প্রমাণ। চুক্তির মূল্য কেন এত বেড়েছে, তার পেছনে বড় কারণ ম্যাচ সংখ্যা বৃদ্ধি। আগে যেখানে ম্যাচ ছিল ৩৪টি, এখন দল বেড়ে হওয়ায় ম্যাচ হবে ৪৪টি। লিগ এখন আট দলের প্রতিযোগিতা। তবে শুধু ম্যাচ বাড়ার কারণেই মূল্য বেড়েছে, এমন নয়। পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি ম্যাচের গড় মূল্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগে প্রতি ম্যাচের সম্প্রচার মূল্য ছিল প্রায় ১২ কোটি ২০ লাখ রুপি। নতুন চুক্তিতে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪ কোটি ৮০ লাখ রুপি। শতাংশের হিসেবে এটি প্রায় ২১ শতাংশ বৃদ্ধি। যা স্পষ্টভাবে লিগটির বাজারমূল্য বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। এ বছরের শুরুতে নতুন তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজির নিলামেও দেখা গেছে একই প্রবণতা। বিশেষ করে মুলতান সুলতানসের নাম বদলে পিন্ডি ফ্র্যাঞ্চাইজি হওয়ার পর সেটি বছরে প্রায় ২৪৫ কোটি রুপিতে দশ বছরের জন্য বিক্রি হয়। এত বড় অঙ্ক আগে দেখা যায়নি। লিগ কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই চুক্তি আবারও প্রমাণ করেছে যে অঞ্চলটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় টি-টোয়েন্টি লিগগুলোর একটি হয়ে উঠেছে পাকিস্তান সুপার লিগ। লিগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালমান নাসির বলেন, ‘এটি শুধু পাকিস্তান সুপার লিগ নয়, পুরো পাকিস্তান ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্প্রচার চুক্তি হবে। পিএসএলের বাণিজ্যিক সম্পদের মূল্য যে দ্রুত বেড়েছে, তা এই লিগের অসাধারণ বিকাশ ও বিশ্বমানের বিশ্বাসযোগ্যতার প্রতিফলন। আমরা আনন্দিত যে ২০২৬ থেকে ২০২৯ পর্যন্ত এই চার বছরে আগের সব রেকর্ড ভেঙে গেছে।’ তিনি আরও জানান, টেলিভিশন ও সরাসরি সম্প্রচারের স্বত্ব একসঙ্গে দেওয়ায় সমর্থকেরা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আরও উন্নত অভিজ্ঞতা পাবেন। ভবিষ্যতে নতুন নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন যুক্ত করা হবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। আগামী ২৬ মার্চ শুরু হবে পাকিস্তান সুপার লিগের নতুন মৌসুম। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩ মে। তার আগে এই বড় সম্প্রচার চুক্তি লিগের বাণিজ্যিক শক্তিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল। সব মিলিয়ে পরিষ্কার, মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আর্থিক দিক থেকেও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান সুপার লিগ। এখন দেখার বিষয়, এই বড় বিনিয়োগ মাঠের উত্তেজনাকেও কতটা নতুন মাত্রা দেয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow