আইপিএলের লোকসান ৫৮ কোটি, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি মোস্তাফিজের দলের!
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) আজ অনুষ্ঠিত হয় ৫২তম ম্যাচ। যেখানে গুজরাটের মুখোমুখি হয় রাজস্থান। এবারের আসরে কোনও দলই ধারাবাহিক ভাবে ভাল খেলতে পারেনি। প্রথম দিকে টানা জিততে থাকা পঞ্জাব কিংস শেষ তিনটি ম্যাচ হেরেছে। আবার শুরুর দিকে টানা হারতে থাকা কলকাতা নাইট রাইডার্স টানা চারটি ম্যাচে জয় পেয়েছে। ১০টি দলের মধ্যে সাতটি দল রয়েছে প্লে-অফে ওঠার দৌড়ে। এমন পরিস্থিতিতে সব দলেরই আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দলের তালিকায় শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। নিলামে যে পরিকল্পনা করে দল তৈরি করেছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো, সেই দল নিয়ে খেলতে পারছে না কেউই। চোট-আঘাত বা নাম প্রত্যাহার বা অন্য কারণে আইপিএল খেলছেন না বেশ কয়েক জন ক্রিকেটার। কেউ কেউ দলে থাকলেও ফিটনেসের সমস্যা থাকায় মাঠে নামতে পারছেন না। ফলে তাদের উপর বিনিয়োগ করা টাকা আদতে কাজে লাগছে না দলগুলির। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, যে ক্রিকেটারদের পাওয়া যাচ্ছে না, তাদের মোট মূল্য ৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এই হিসাবে কেকেআরের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি। আইপিএলের গত নিলামের সময় ৬৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা ছিল কেকেআর কর্তৃপক্ষের কাছে। বেঙ্কি মাইসোর
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) আজ অনুষ্ঠিত হয় ৫২তম ম্যাচ। যেখানে গুজরাটের মুখোমুখি হয় রাজস্থান। এবারের আসরে কোনও দলই ধারাবাহিক ভাবে ভাল খেলতে পারেনি। প্রথম দিকে টানা জিততে থাকা পঞ্জাব কিংস শেষ তিনটি ম্যাচ হেরেছে। আবার শুরুর দিকে টানা হারতে থাকা কলকাতা নাইট রাইডার্স টানা চারটি ম্যাচে জয় পেয়েছে। ১০টি দলের মধ্যে সাতটি দল রয়েছে প্লে-অফে ওঠার দৌড়ে। এমন পরিস্থিতিতে সব দলেরই আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দলের তালিকায় শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)।
নিলামে যে পরিকল্পনা করে দল তৈরি করেছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো, সেই দল নিয়ে খেলতে পারছে না কেউই। চোট-আঘাত বা নাম প্রত্যাহার বা অন্য কারণে আইপিএল খেলছেন না বেশ কয়েক জন ক্রিকেটার। কেউ কেউ দলে থাকলেও ফিটনেসের সমস্যা থাকায় মাঠে নামতে পারছেন না। ফলে তাদের উপর বিনিয়োগ করা টাকা আদতে কাজে লাগছে না দলগুলির। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, যে ক্রিকেটারদের পাওয়া যাচ্ছে না, তাদের মোট মূল্য ৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এই হিসাবে কেকেআরের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি।
আইপিএলের গত নিলামের সময় ৬৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা ছিল কেকেআর কর্তৃপক্ষের কাছে। বেঙ্কি মাইসোরেরা তারুণ্য এবং অভিজ্ঞতার মিশেলে ভারসাম্যযুক্ত দল তৈরি করেছিলেন। ব্যাটিং এবং বোলিংয়েও ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করেছিলেন। অথচ আইপিএল শুরুর আগে থেকেই একের পর এক ধাক্কা খেয়েছে কেকেআর।
ভারত-বাংলাদেশ রাজনৈতিক সম্পর্কের জটিলতার কারণে দল থেকে বাদ দিতে হয়েছিল মোস্তাফিজুর রহমানকে। বাংলাদেশের এই কাটার মাস্টারকে ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কিনেছিল কেকেআর। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে পায়ের লিগামেন্টে চোট পেয়ে ছিটকে পড়েন হর্ষিত রানা। ভারতীয় দলের বোলারকে ৪ কোটি টাকায় ধরে রেখেছিল কেকেআর। আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় চোট পান মাথিশা পাথিরানা। শ্রীলঙ্কার বোলারকে ১৮ কোটি টাকায় নেওয়া হয়েছিল। চোট সারিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিলেও এখনও ম্যাচ খেলেননি তিনি। অর্থাৎ কেকেআরের ৩১ কোটি ২০ লাখ টাকার পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে।
রাজস্থান রয়্যালস যেমন পাচ্ছে না স্যাম কারেনকে। তাকে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকায় কেনা হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস থেকে। বিভিন্ন কারণে চেন্নাই পাচ্ছে না খলিল আহমেদ, নাথান এলিস এবং আয়ুষ মাত্রেকে। তাদের সম্মিলিত মূল্য সাড়ে ৬ কোটি টাকা। ধাক্কা খেয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সও। চোটের কারণে আইপিএলের সব ম্যাচে পাওয়া যায়নি রোহিত শর্মা, উইল জ্যাকস এবং মিচেল স্যান্টনারকে। অথচ তিন জনই বিশ্বের প্রথম সারির ক্রিকেটার।
অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হেজলউড, ক্যামেরুন গ্রিনদের গোটা প্রতিযোগিতায় ১০০ শতাংশ ফিট অবস্থায় পাওয়া যায়নি। আবার লক্ষ্নৌ সুপার জায়ান্টস যেমন ১ কোটির আকাশ দীপকে এবার খেলাতে পারল না চোটের জন্য। দিল্লি ক্যাপিটালস ২ কোটি টাকায় কিনেছিল বেন ডাকেটকে। প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই নাম প্রত্যাহার করে নেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার। যে পরিকল্পনা নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো খরচ করেছিল, তার ১০০ শতাংশ কাজে লাগাতে পারেনি কেউই।
What's Your Reaction?