আকিজ গ্রুপে চাকরির প্রলোভনে ভূরুঙ্গামারীতে প্রতারণা চক্র সক্রিয়
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে আকিজ গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে একটি প্রতারক চক্র মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করছে। চক্রটি কৌশলে চাকরিপ্রার্থীদের সিভি সংগ্রহ করে সেই তথ্য ব্যবহার করে নতুন নতুন ব্যক্তিদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।প্রতারিত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চক্রটির সদস্যরা প্রথমে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ই-মেইলে সিভি সংগ্রহ করে। এরপর নিয়োগের "জামানত" বা "প্রসেসিং ফি" বাবদ ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করে। টাকা নেওয়ার পর তারা পূর্বে সংগৃহীত সিভির তথ্য ব্যবহার করে ওই ব্যক্তিদের পরিচয়ে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করে এবং নতুন করে প্রতারণা চালায়।এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দিয়াডাঙ্গা এলাকার মোঃ রাজু মিয়া (৩০)। তিনি জানান, চাকরির আশায় প্রতারক চক্রের ব্যবহৃত ০১৭০৪৩৯৭৬১০ এবং ০১৮৬১৮৩৪৯৭৭ নম্বরের বিকাশ অ্যাকাউন্টে মোট ১২ হাজার টাকা পাঠান। একই সঙ্গে তিনি তার সিভি [email protected] ই-মেইলে পাঠান। পরবর্তীতে প্র
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে আকিজ গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে একটি প্রতারক চক্র মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করছে। চক্রটি কৌশলে চাকরিপ্রার্থীদের সিভি সংগ্রহ করে সেই তথ্য ব্যবহার করে নতুন নতুন ব্যক্তিদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রতারিত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চক্রটির সদস্যরা প্রথমে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ই-মেইলে সিভি সংগ্রহ করে। এরপর নিয়োগের "জামানত" বা "প্রসেসিং ফি" বাবদ ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করে। টাকা নেওয়ার পর তারা পূর্বে সংগৃহীত সিভির তথ্য ব্যবহার করে ওই ব্যক্তিদের পরিচয়ে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করে এবং নতুন করে প্রতারণা চালায়।
এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দিয়াডাঙ্গা এলাকার মোঃ রাজু মিয়া (৩০)। তিনি জানান, চাকরির আশায় প্রতারক চক্রের ব্যবহৃত ০১৭০৪৩৯৭৬১০ এবং ০১৮৬১৮৩৪৯৭৭ নম্বরের বিকাশ অ্যাকাউন্টে মোট ১২ হাজার টাকা পাঠান। একই সঙ্গে তিনি তার সিভি [email protected] ই-মেইলে পাঠান। পরবর্তীতে প্রতারক চক্রটি রাজু মিয়ার সিভিতে থাকা তথ্য ব্যবহার করে তার বন্ধু ধামেরহাট এলাকার আবু জোবায়ের (২৭)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে। নিজেদের রাজু মিয়ার পরিচিত হিসেবে দাবি করে তারা আবু জোবায়েরকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ০১৮৬৯১৭২০১২ ও ০১৬১৪১৪১৮৯১ নম্বরের বিকাশ অ্যাকাউন্টে মোট ৮ হাজার টাকা পাঠাতে বাধ্য করে।
ভুক্তভোগীরা জানান, বর্তমানে প্রতারক চক্রটি আবু জোবায়েরের পরিচয় ব্যবহার করে তার কলেজ শিক্ষক মোঃ আফসার ও মোঃ হাফিজুর রহমানের কাছ থেকেও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র সাধারণ মানুষকে টার্গেট করছে। বিশেষ করে নামী প্রতিষ্ঠানের চাকরির কথা বলে গ্রামের সহজ-সরল যুবকদের ফাঁদে ফেলা হচ্ছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন জানান, কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির নামে আগাম টাকা দাবি করা হলে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া অপরিচিত নম্বরে টাকা পাঠানোর আগে যাচাই-বাছাই করার পরামর্শ দেন তিনি। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতারক চক্রটিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা না হলে তারা আরও বহু মানুষকে প্রতারণার শিকার করতে পারে।
What's Your Reaction?