আগুনে পুড়ে ছাই স্বপ্ন, চরফ্যাশনে নিঃস্ব ৫ ব্যবসায়ী
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার বজলু বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে পাঁচটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আগুনের লেলিহান শিখায় শেষ হয়ে গেছে বহু বছরের পরিশ্রমে গড়ে তোলা স্বপ্ন। এক রাতেই পথে বসেছেন কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। সোমবার (২৩ মার্চ) ভোর রাত ৪টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুল নগর ইউনিয়নের বজলু বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। গভীর রাতে হঠাৎ আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। কিন্তু ততক্ষণে আগুন ভয়ংকর রূপ নিয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, কিছুই করার সুযোগ পাননি কেউ। প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের উৎপত্তি। মুহূর্তের মধ্যেই মা কসমেটিক, শরিফ স্টোর, মুন্সি স্টোর, মিরাজ স্টোর ও জাকির স্টোর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মিরাজ বলেন, ’এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেল। এই দোকানটাই ছিল আমার পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। এখন কীভাবে সংসার চালাবো, কিছুই বুঝতে পারছি না।’ আরেক ব্যবসায়ী শরিফ বলেন, ’কষ্ট করে একটু একটু করে দোকানটা দাঁড় করিয়েছিলাম। আগুন সব কেড়ে নিলো। আমরা এখন পুরোপুরি নিঃস্ব। সরকারের সাহায্য
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার বজলু বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে পাঁচটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আগুনের লেলিহান শিখায় শেষ হয়ে গেছে বহু বছরের পরিশ্রমে গড়ে তোলা স্বপ্ন। এক রাতেই পথে বসেছেন কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।
সোমবার (২৩ মার্চ) ভোর রাত ৪টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুল নগর ইউনিয়নের বজলু বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
গভীর রাতে হঠাৎ আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। কিন্তু ততক্ষণে আগুন ভয়ংকর রূপ নিয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, কিছুই করার সুযোগ পাননি কেউ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের উৎপত্তি। মুহূর্তের মধ্যেই মা কসমেটিক, শরিফ স্টোর, মুন্সি স্টোর, মিরাজ স্টোর ও জাকির স্টোর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মিরাজ বলেন, ’এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেল। এই দোকানটাই ছিল আমার পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। এখন কীভাবে সংসার চালাবো, কিছুই বুঝতে পারছি না।’
আরেক ব্যবসায়ী শরিফ বলেন, ’কষ্ট করে একটু একটু করে দোকানটা দাঁড় করিয়েছিলাম। আগুন সব কেড়ে নিলো। আমরা এখন পুরোপুরি নিঃস্ব। সরকারের সাহায্য ছাড়া ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন।’
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দোকানের মালামাল ও স্থাপনা মিলিয়ে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। হঠাৎ এমন বিপর্যয়ে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এবং দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।
চরফ্যাশন ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. মাসুদ জানান, রাত ৪টা ১০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে তাদের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করা হয়েছে।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন জানিয়েছেন, ঘটনাটি প্রশাসনের নজরে এসেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
What's Your Reaction?