আত্মঘাতী বোমা হামলায় মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিহত
আফ্রিকার দেশ মালিতে একযোগে সামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালানো হয়েছে। সমন্বিত এ হামলায় দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল সাদিও কামারা নিহত হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, একদিন আগে রাজধানী বামাকোর কাছে কাটি নামক সেনানিবাস এলাকায় তার বাসভবনে হামলা চালানো হয়। একই সময়ে আল কায়েদা সংশ্লিষ্ট জঙ্গি সংগঠন ও তুয়ারেগ বিদ্রোহীরা বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালায় বলে জানা গেছে। সাদিও কামারা সামরিক অভ্যুত্থানের পর মালির ক্ষমতায় আসা সামরিক সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ভবিষ্যতে মালির সম্ভাব্য নেতা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কাটি এলাকায় তার বাসভবনে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়। রাজধানী বামাকো থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কাটি শহরটি তুলনামূলক নিরাপদ হিসেবেই পরিচিত। একই এলাকায় অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আসিমি গোইতাও বসবাস করেন। তবে হামলার সময় প্রেসিডেন্ট গোইতা নিরাপদ স্থানে ছিলেন এবং তিনি অক্ষত আছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশ্লেষক বুলামা বুকার্তি বলেন, আগামী দিনগুলোতে সংঘর্ষ আরও বাড়তে পারে। তিনি আরও জানান, আগে একে অপরের
আফ্রিকার দেশ মালিতে একযোগে সামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালানো হয়েছে। সমন্বিত এ হামলায় দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল সাদিও কামারা নিহত হয়েছেন।
রোববার (২৬ এপ্রিল) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, একদিন আগে রাজধানী বামাকোর কাছে কাটি নামক সেনানিবাস এলাকায় তার বাসভবনে হামলা চালানো হয়। একই সময়ে আল কায়েদা সংশ্লিষ্ট জঙ্গি সংগঠন ও তুয়ারেগ বিদ্রোহীরা বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালায় বলে জানা গেছে।
সাদিও কামারা সামরিক অভ্যুত্থানের পর মালির ক্ষমতায় আসা সামরিক সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ভবিষ্যতে মালির সম্ভাব্য নেতা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কাটি এলাকায় তার বাসভবনে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়। রাজধানী বামাকো থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কাটি শহরটি তুলনামূলক নিরাপদ হিসেবেই পরিচিত। একই এলাকায় অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আসিমি গোইতাও বসবাস করেন।
তবে হামলার সময় প্রেসিডেন্ট গোইতা নিরাপদ স্থানে ছিলেন এবং তিনি অক্ষত আছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিশ্লেষক বুলামা বুকার্তি বলেন, আগামী দিনগুলোতে সংঘর্ষ আরও বাড়তে পারে। তিনি আরও জানান, আগে একে অপরের বিরোধী থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এখন সরকারের বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে।
এ ঘটনায় আফ্রিকান ইউনিয়ন, ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) মহাসচিব এবং যুক্তরাষ্ট্রের আফ্রিকান বিষয়ক দপ্তর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
What's Your Reaction?