আদিবাসীদের স্বাস্থ্য ও জীবনমানে বৈষম্য খতিয়ে দেখতে রাবিতে গবেষণা কর্মশালা

রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের আদিবাসী ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও জীবনমানের বৈষম্য নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গবেষণা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জামাল নজরুল ইসলাম বিজ্ঞান ভবনের প্রকৌশল অনুষদ গ্যালারিতে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ‘বাংলাদেশের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে বসবাসকারী আদিবাসী ও অ-আদিবাসী জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও জীবনমান: একটি পরিবারভিত্তিক তুলনামূলক সমীক্ষা’ শীর্ষক হিট-এটিএফ-ডব্লিউ৩(এ) উপ-প্রকল্পের সূচনা উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় জানানো হয়, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় বসবাসকারী সাঁওতাল, ওঁরাও, মাহাতো, মুন্ডা, পাহান ও রাজবংশীসহ বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি, রোগব্যাধির ধরন, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি, আয়, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়গুলো সমীক্ষার আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে একই অঞ্চলের বাঙালি জনগোষ্ঠীর তথ্য সংগ্রহ করে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হবে। আয়োজকেরা বলেন, এই গবেষণার মাধ্যমে দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাস্থ্য ও জীবনমানের বৈষম্যের মাত্রা ও কারণ নিরূপণ করা সম্ভব হবে

আদিবাসীদের স্বাস্থ্য ও জীবনমানে বৈষম্য খতিয়ে দেখতে রাবিতে গবেষণা কর্মশালা

রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের আদিবাসী ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও জীবনমানের বৈষম্য নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গবেষণা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জামাল নজরুল ইসলাম বিজ্ঞান ভবনের প্রকৌশল অনুষদ গ্যালারিতে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

‘বাংলাদেশের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে বসবাসকারী আদিবাসী ও অ-আদিবাসী জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও জীবনমান: একটি পরিবারভিত্তিক তুলনামূলক সমীক্ষা’ শীর্ষক হিট-এটিএফ-ডব্লিউ৩(এ) উপ-প্রকল্পের সূচনা উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় জানানো হয়, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় বসবাসকারী সাঁওতাল, ওঁরাও, মাহাতো, মুন্ডা, পাহান ও রাজবংশীসহ বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি, রোগব্যাধির ধরন, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি, আয়, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়গুলো সমীক্ষার আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে একই অঞ্চলের বাঙালি জনগোষ্ঠীর তথ্য সংগ্রহ করে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হবে।

আয়োজকেরা বলেন, এই গবেষণার মাধ্যমে দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাস্থ্য ও জীবনমানের বৈষম্যের মাত্রা ও কারণ নিরূপণ করা সম্ভব হবে। মাঠপর্যায়ে পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হবে, যা ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. এম. সায়েদুর রহমান, ড. মো. ফরিদ উদ্দিন খান এবং ড. মোহাম্মদ মইন উদ্দিন।

বক্তারা বলেন, একটি দেশের উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হয়, যখন সমাজের সব জনগোষ্ঠী সমান সুযোগ পায়। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ও জীবনমান উন্নয়নে তথ্যভিত্তিক গবেষণা অপরিহার্য। আদিবাসীদের প্রকৃত অবস্থা না জেনে কার্যকর নীতি গ্রহণ করা কঠিন।

তারা আরও বলেন, পরিবারভিত্তিক এই তুলনামূলক সমীক্ষা ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যনীতি ও উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং নীতিনির্ধারকদের জন্য কার্যকর দিকনির্দেশনা দেবে।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ মো. আল মামুন। সঞ্চালনায় ছিলেন শিক্ষার্থী মেহনাজ তাবাসসুম।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজনেরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ভারত থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. প্রেমানন্দ ভারতী।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow