আবারও কমলো তেলের দাম
মধ্যপ্রাচ্যে নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি ও যুক্তরাষ্ট্র-চীন শীর্ষ বৈঠক ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে বুধবার (১৩ মে) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। টানা তিন দিনের মূল্যবৃদ্ধির পর এদিন বাজারে কিছুটা পতন দেখা যায়। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ২২ ডলার কমে ১০৬ দশমিক ৫৫ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ১৬ ডলার কমে দাঁড়ায় ১০১ দশমিক ২ ডলারে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর থেকেই তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। এরপর ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ জোরদার করায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে। এর ফলে বেশিরভাগ সময়ই তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে অবস্থান করছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো তেলের বাজারকে চাপে রাখছে। সামান্য কোনো নতুন ঘটনাও বাজারে বড় ধরনের ওঠানামা তৈরি করছে। মঙ্গলবার তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার সম্ভাবনাও
মধ্যপ্রাচ্যে নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি ও যুক্তরাষ্ট্র-চীন শীর্ষ বৈঠক ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে বুধবার (১৩ মে) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। টানা তিন দিনের মূল্যবৃদ্ধির পর এদিন বাজারে কিছুটা পতন দেখা যায়।
ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ২২ ডলার কমে ১০৬ দশমিক ৫৫ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ১৬ ডলার কমে দাঁড়ায় ১০১ দশমিক ২ ডলারে।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর থেকেই তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। এরপর ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ জোরদার করায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে। এর ফলে বেশিরভাগ সময়ই তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে অবস্থান করছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো তেলের বাজারকে চাপে রাখছে। সামান্য কোনো নতুন ঘটনাও বাজারে বড় ধরনের ওঠানামা তৈরি করছে।
মঙ্গলবার তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার সম্ভাবনাও অনিশ্চিত হয়ে যায়।
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সাধারণত হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়।
মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান যুদ্ধ শেষ করতে তার চীনের সহায়তার প্রয়োজন নেই। তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, স্থায়ী শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা এখনো দুর্বল।
চীন বর্তমানে ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বেইজিংয়ে ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠক আন্তর্জাতিক বাজারে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইউরেশিয়া গ্রুপ জানিয়েছে, সরবরাহে দীর্ঘমেয়াদি বিঘ্ন এবং বিপুল পরিমাণ তেল উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণে চলতি বছরের বাকি সময় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারের ওপরে থাকতে পারে।
ইরান যুদ্ধের প্রভাব এখন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতেও পড়তে শুরু করেছে। জ্বালানির দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং সাধারণ মানুষের ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি প্রায় তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, এই পরিস্থিতিতে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ আপাতত সুদের হার কমানোর পথে হাঁটবে না।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে টানা চতুর্থ সপ্তাহের মতো অপরিশোধিত তেলের মজুত কমেছে বলেও জানিয়েছে বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্র।
সূত্র: রয়টার্স।
What's Your Reaction?