আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে রেকর্ড পরিমাণ পতনের পর মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় ধরনের বৃদ্ধি দেখা গেছে। আগের দিনের দরপতনের পর উভয় ধাতুর দামই ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট স্বর্ণের দাম মঙ্গলবার ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি আউন্স ৪,৭৬৭ দশমিক ৩৩ ডলারে। যদিও গতকাল সোমবার এটি প্রায় এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। এর আগে গত বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম রেকর্ড সর্বোচ্চ ৫,৫৯৪ দশমিক ৮২ ডলারে পৌঁছায়। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ডেলিভারির স্বর্ণ ফিউচার্সের দাম ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৭৯১ দশমিক ১০ ডলারে লেনদেন হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে স্বর্ণ ও রুপার বাজারে কিছুটা অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করা গেছে। ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র মার্কেট অ্যানালিস্ট কাইল রডা বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে বাজার বেশ অস্বাভাবিকভাবে চলছিল। বর্তমান দামে স্বর্ণ ও রুপা আবার জানুয়ারির দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকের অবস্থানে ফিরে এসেছে। জানুয়ারি মাসে স্বর্ণের দাম প্রায় ১৩ শতাংশ বেড়েছে, যা ২০০৯ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ
বিশ্ববাজারে রেকর্ড পরিমাণ পতনের পর মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় ধরনের বৃদ্ধি দেখা গেছে। আগের দিনের দরপতনের পর উভয় ধাতুর দামই ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট স্বর্ণের দাম মঙ্গলবার ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি আউন্স ৪,৭৬৭ দশমিক ৩৩ ডলারে। যদিও গতকাল সোমবার এটি প্রায় এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। এর আগে গত বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম রেকর্ড সর্বোচ্চ ৫,৫৯৪ দশমিক ৮২ ডলারে পৌঁছায়।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ডেলিভারির স্বর্ণ ফিউচার্সের দাম ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৭৯১ দশমিক ১০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে স্বর্ণ ও রুপার বাজারে কিছুটা অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করা গেছে। ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র মার্কেট অ্যানালিস্ট কাইল রডা বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে বাজার বেশ অস্বাভাবিকভাবে চলছিল। বর্তমান দামে স্বর্ণ ও রুপা আবার জানুয়ারির দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকের অবস্থানে ফিরে এসেছে।
জানুয়ারি মাসে স্বর্ণের দাম প্রায় ১৩ শতাংশ বেড়েছে, যা ২০০৯ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ উত্থান। একই সময়ে রুপার দাম বেড়েছে ১৯ শতাংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে কেভিন ওয়ারশকে মনোনয়ন দেওয়ার পর বাজারে ডলারের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হয়। এতে স্বর্ণ ও রুপার দামে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। রডা বলেন, যার ফলে ডলার শক্তিশালী হয় এবং সেটিই মূলত বাজারে মূল্যবান ধাতুটির দামে ধস নামিয়েছে।
বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন ২০২৬ সালে ফেডারেল রিজার্ভ অন্তত দুবার সুদের হার কমাতে পারে। সাধারণত সুদের হার কমলে স্বর্ণের চাহিদা ও দাম বেড়ে যায়।
এদিকে, স্পট রুপার দাম ২.৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮১ দশমিক ৬১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রুপার দামও রেকর্ড সর্বোচ্চ ১২১ দশমিক ৬৪ ডলারে পৌঁছেছিল।
What's Your Reaction?