আবারও বেড়ে গেল তেলের দাম, বাজারে অস্থিরতা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বৃহস্পতিবার লেনদেনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে ১০৪ ডলারের বেশি হয়েছে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) তেলের দামও ২ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৯২ ডলারে পৌঁছেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-কে ঘিরে চলমান যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্র-এর সঙ্গে উত্তেজনা তেলের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। ইরান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পর্যালোচনা করলেও সরাসরি আলোচনায় যেতে অনাগ্রহী বলে জানিয়েছে। এদিকে যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পরিবহন প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। সাধারণত বিশ্বে সরবরাহ হওয়া তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে যায়। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা একে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল সরবরাহ সংকটগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তেলের দামে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। সানায়ে তাকাইচি ইতোমধ্যে অতিরিক্ত তেল মজুত ছাড়ার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের আহ্বান জানিয়েছেন

আবারও বেড়ে গেল তেলের দাম, বাজারে অস্থিরতা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

বৃহস্পতিবার লেনদেনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে ১০৪ ডলারের বেশি হয়েছে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) তেলের দামও ২ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৯২ ডলারে পৌঁছেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-কে ঘিরে চলমান যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্র-এর সঙ্গে উত্তেজনা তেলের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। ইরান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পর্যালোচনা করলেও সরাসরি আলোচনায় যেতে অনাগ্রহী বলে জানিয়েছে।

এদিকে যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পরিবহন প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। সাধারণত বিশ্বে সরবরাহ হওয়া তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে যায়। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা একে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল সরবরাহ সংকটগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তেলের দামে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। সানায়ে তাকাইচি ইতোমধ্যে অতিরিক্ত তেল মজুত ছাড়ার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা যায়।

এছাড়া বৈশ্বিক সরবরাহে আরও চাপ সৃষ্টি হয়েছে, কারণ রাশিয়া-এর প্রায় ৪০ শতাংশ তেল রপ্তানি সক্ষমতা বিভিন্ন হামলা ও জটিলতার কারণে বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে ইরাক-এর উৎপাদনও কমে গেছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে তেলের মজুত ৬.৯ মিলিয়ন ব্যারেল বেড়েছে, যা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি। তবুও বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা থাকায় দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে এবং বিনিয়োগকারীরা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

সূত্র: Reuters

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow