আবাসিক হোটেলে গৃহবধূ হত্যা: জবানবন্দি দিলেন আসামি
গাজীপুরের বাসন থানাধীন চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে শান্তা বেগম (৩৩) নামে এক গৃহবধূর হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান আসামি মো. সাইফুল ইসলামকে (৩৯) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতে এ ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার দক্ষিণখান থানার ফায়দাবাদ ট্রান্সমিটার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয় পিবিআই গাজীপুর জেলা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার দক্ষিণখান থানার ফায়দাবাদ ট্রান্সমিটার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নিহত শান্তা বেগমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। তদন্তে জানা গেছে, গত ২১ জুলাই দুপুর পৌনে ২টায় শান্তা বেগম ও সাইফুল ইসলাম স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে চান্দনা চৌরাস্তার ‘আনোয়ারা ম্যানশন’ ভবনের ই-ভ্যালি আবাসিক হোটেলের ৩০৭ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেন। ওই দিন রাত পৌনে ১১টার দিকে হোটেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে বাসন থানা পুলিশ কক্ষ থেকে শান্তা বেগমের গলা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্নসহ মরদেহ উদ্ধার করে।
গাজীপুরের বাসন থানাধীন চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে শান্তা বেগম (৩৩) নামে এক গৃহবধূর হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান আসামি মো. সাইফুল ইসলামকে (৩৯) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতে এ ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার দক্ষিণখান থানার ফায়দাবাদ ট্রান্সমিটার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়
পিবিআই গাজীপুর জেলা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার দক্ষিণখান থানার ফায়দাবাদ ট্রান্সমিটার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নিহত শান্তা বেগমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
তদন্তে জানা গেছে, গত ২১ জুলাই দুপুর পৌনে ২টায় শান্তা বেগম ও সাইফুল ইসলাম স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে চান্দনা চৌরাস্তার ‘আনোয়ারা ম্যানশন’ ভবনের ই-ভ্যালি আবাসিক হোটেলের ৩০৭ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেন। ওই দিন রাত পৌনে ১১টার দিকে হোটেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে বাসন থানা পুলিশ কক্ষ থেকে শান্তা বেগমের গলা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্নসহ মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত শান্তা বেগম নাটোর সদর উপজেলার চরলক্ষীকোল গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে। তিনি বর্তমানে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর আহমেদনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। তিনি দুই সন্তানের জননী।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. শহিদুল ইসলাম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বাসন থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করে পিবিআই গাজীপুর জেলা। মামলার তদন্তভার পান পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আনসারী।
পিবিআই জানায়, অতিরিক্ত আইজিপি মো. মোস্তফা কামালের দিকনির্দেশনা এবং পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত এবং গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ এবং আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামি জানান, দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতি, পারস্পরিক সন্দেহ ও দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটনার দিন আবাসিক হোটেলের কক্ষে দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তেজনার মধ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শান্তা বেগমকে আঘাত করলে তার মৃত্যু হয়। পরে তিনি নিহতের মোবাইল ফোন ও পরিচয়পত্র নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার বলেন, ‘অজ্ঞাতনামা নারী হত্যার খবর পাওয়ার পরপরই পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় এবং একই সঙ্গে ছায়া তদন্ত শুরু করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও পেশাদার তদন্তের সমন্বয়ে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান আছে।
What's Your Reaction?