আবাহনীর ডানায় উড়ে প্রাইম ব্যাংককে টপকে শীর্ষে মোহামেডান
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীকে ধন্যবাদ জানাতেই পারে মোহামেডান। জাকের আলী অনিক, মাহিদুল ইসলাম অংকন আর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতরা টিম মোহামেডানের কাছ থেকে অভিনন্দন আর ধন্যবাদ আশা করতেই পারেন। ভাবছেন, টিম আবাহনী আবার কী করল যে মোহামেডান তাদের ধন্যবাদ জানাবে? হ্যাঁ, করেছে। আজ ২০ মে আকাশি-হলুদরা এমন এক সাফল্য দেখিয়েছে, যে সাফল্যের সবচেয়ে বড় লাভবান হলো মোহামেডান। বুধবার বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে আবাহনী ১০৬ রানের বিরাট ব্যবধানে হারিয়েছে সবার ওপরে থাকা প্রাইম ব্যাংককে। তাতে করে সবচেয়ে লাভবান হয়েছে মোহামেডান। তিনদিন আগে এই প্রাইম ব্যাংকের কাছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর ৩ উইকেটে হেরে শীর্ষস্থানচ্যুত হয়েছিল মোহামেডান। আজ আবাহনীর কাছে প্রাইম ব্যাংকের হারের দিনে অগ্রণী ব্যাংককে ৯ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে আবার সবার ওপরে সাদা-কালোরা। শেরেবাংলায় হওয়া ম্যাচের প্রথম সেশনেই বোলাররা মোহামেডানের জয়ের মঞ্চ তৈরি করে দেন। দুই পেসার সাইফউদ্দিন (৪/১৮) আর মুশফিক হাসান (৪/৩৭)-এর বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ১৩১ রানেই অলআউট হয় অগ্রণী ব্যাংক। মিডল অর্ডার ব্যাটার জাহিদ জাভেদ সর্বাধিক ৪০ রান করেন ৭০ বলে। জবাবে রানরেট উন্নত করতে সাদা-কালো
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীকে ধন্যবাদ জানাতেই পারে মোহামেডান। জাকের আলী অনিক, মাহিদুল ইসলাম অংকন আর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতরা টিম মোহামেডানের কাছ থেকে অভিনন্দন আর ধন্যবাদ আশা করতেই পারেন।
ভাবছেন, টিম আবাহনী আবার কী করল যে মোহামেডান তাদের ধন্যবাদ জানাবে? হ্যাঁ, করেছে। আজ ২০ মে আকাশি-হলুদরা এমন এক সাফল্য দেখিয়েছে, যে সাফল্যের সবচেয়ে বড় লাভবান হলো মোহামেডান।
বুধবার বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে আবাহনী ১০৬ রানের বিরাট ব্যবধানে হারিয়েছে সবার ওপরে থাকা প্রাইম ব্যাংককে। তাতে করে সবচেয়ে লাভবান হয়েছে মোহামেডান।
তিনদিন আগে এই প্রাইম ব্যাংকের কাছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর ৩ উইকেটে হেরে শীর্ষস্থানচ্যুত হয়েছিল মোহামেডান। আজ আবাহনীর কাছে প্রাইম ব্যাংকের হারের দিনে অগ্রণী ব্যাংককে ৯ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে আবার সবার ওপরে সাদা-কালোরা।
শেরেবাংলায় হওয়া ম্যাচের প্রথম সেশনেই বোলাররা মোহামেডানের জয়ের মঞ্চ তৈরি করে দেন। দুই পেসার সাইফউদ্দিন (৪/১৮) আর মুশফিক হাসান (৪/৩৭)-এর বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ১৩১ রানেই অলআউট হয় অগ্রণী ব্যাংক। মিডল অর্ডার ব্যাটার জাহিদ জাভেদ সর্বাধিক ৪০ রান করেন ৭০ বলে।
জবাবে রানরেট উন্নত করতে সাদা-কালোরা হাত খুলে খেলে মাত্র ১১.৩ ওভারেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। ওয়ানডাউনে নেমে অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় তার ক্যারিয়ারের অন্যতম দ্রুতগতির ইনিংস উপহার দিয়ে দলের নেট রানরেট উন্নত করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। মাত্র ১৭ বলে পঞ্চাশে পা রাখা মোহামেডান অধিনায়ক ৭১ রানে অপরাজিত থাকেন মাত্র ২৪ বলে (৪ ছক্কা ও ১০ বাউন্ডারিতে)।
এই ঝোড়ো ইনিংস খেলার পথে নবম ওভারে হোম অব ক্রিকেটে রীতিমতো ঝড় বইয়ে দেন মোহামেডান অধিনায়ক। প্রথমে অগ্রণী ব্যাংকের পেসার রবির ওই ওভারে ২ ছক্কা ও ৩ বাউন্ডারিতে তুলে নেন ২৪ রান।
এ ছাড়া নাইম শেখ অপরাজিত ছিলেন ২৯ বলে ৩৯ রানে। ওপেনার এনামুল হক বিজয় আউট হয়েছেন ১৬ বলে ২২ রান করে।
সমান ৬ খেলা শেষে মোহামেডান ও প্রাইম ব্যাংকের পয়েন্ট এখন সমান ১০ করে (৫ জয় ও ১ পরাজয়ে)। নেট রানরেটে প্রাইম ব্যাংককে (০.৬৭৮) পেছনে ফেলে মোহামেডান (২.৬২৫) শীর্ষে অবস্থান করছে। অন্যদিকে সমান ৬ ম্যাচে চতুর্থ জয়ে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের সঙ্গে সমান ৮ পয়েন্ট পেয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে আবাহনী।
পুরো লিগে টানা ৫ খেলায় দুর্দমনীয় প্রাইম ব্যাংক ঠিক আগের ম্যাচেই মোহামেডানের করা ৩০৩ রান টপকে পেয়েছিল স্মরণীয় জয়। কিন্তু আজ আজিজুল হাকিম তামিমের দলকে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের আবাহনী।
জাকের আলী অনিকের ড্যাশিং ‘বিগ হান্ড্রেড’ (১০৩ বলে ৯ ছক্কা ও ১০ বাউন্ডারি), মাহিদুল ইসলাম অংকনের ‘বিগ ফিফটি’ (৪ ছক্কা ও ৩ বাউন্ডারিতে ৮৫ বলে ৭৫), মেহরবের (৩৪ বলে ৪২) আর অধিনায়ক মোসাদ্দেকের (২৯ বলে ৩২) দুটি মাঝারি অথচ কার্যকর ইনিংসের ওপর ভর করে ৩৪১ রানের বিশাল স্কোর পায় আবাহনী।
আজ আর সেই বিশাল স্কোর টপকানো সম্ভব হয়নি প্রাইম ব্যাংক ব্যাটারদের। মোহামেডানের সঙ্গে ওপেনার শাহাদাত হোসেন দীপু সেঞ্চুরি করে জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন, আজ তিনি ফিরে গেছেন ৩২ রানে (৪২ বলে)।
মোহামেডানের সঙ্গে ঝড়ের বেগে ২১ বলে ৩৭ রানের ম্যাচজেতানো ইনিংস খেলা শামিম পাটোয়ারি পঞ্চাশ করলেও ম্যাচজেতানো ব্যাটিং করতে পারেননি। শামীম পাটোয়ারীর ৪৬ বলে করা ৫১ রানের ওপর ভর করে ২৩৫ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকে প্রাইম ব্যাংক।
আবাহনীর তিন স্পিনার রাকিবুল (২/৩৪), মোসাদ্দেক (২/৩১) আর মাহফুজুর রাব্বি (৩/৫০)-এর সাঁড়াশি বোলিংয়ে প্রাইম ব্যাংকের ব্যাটাররা মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেননি।
এআরবি/আইএইচএস
What's Your Reaction?