আমরা যা খাবো হলে শিক্ষার্থীরাও তাই খাবে: শাবিপ্রবি উপাচার্য

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেছেন, আমি জুলাই আন্দোলনের বিজয়ের দিন বলেছিলাম, আমরা যা খাবো শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তাই খাবে। ইনশাআল্লাহ আমাদের পরিকল্পনা আছে, শিক্ষার্থীরা হলে অবশ্যই ভালো খাবার খাবেন। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ জীবনযাপনের প্রসঙ্গ টেনে উপাচার্য বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ জীবনযাপনের চেষ্টা নিয়ে আমরা সবাই অনেক কথা বলি। উনি এখন দেড়শ টাকার খাবার খাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর মতো তারও কিছু পরিকল্পনা আছে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন ‘উই হ্যাভ অ্যা প্লান’। আমি খুব সৌভাগ্যবান একজন মানুষ যে ওনার সঙ্গে এই পরিকল্পনার বিভিন্ন অংশে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। উনি কিন্তু প্রস্তুতি নিয়েই এসেছেন। কীভাবে এগুলো বাস্তবায়ন হবে, তা নিয়ে ভাবার কোনো কারণ নেই যে উনি কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই এসেছেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মতো আমিও বিশ্

আমরা যা খাবো হলে শিক্ষার্থীরাও তাই খাবে: শাবিপ্রবি উপাচার্য

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেছেন, আমি জুলাই আন্দোলনের বিজয়ের দিন বলেছিলাম, আমরা যা খাবো শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তাই খাবে। ইনশাআল্লাহ আমাদের পরিকল্পনা আছে, শিক্ষার্থীরা হলে অবশ্যই ভালো খাবার খাবেন।

বুধবার (১০ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ জীবনযাপনের প্রসঙ্গ টেনে উপাচার্য বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ জীবনযাপনের চেষ্টা নিয়ে আমরা সবাই অনেক কথা বলি। উনি এখন দেড়শ টাকার খাবার খাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রীর মতো তারও কিছু পরিকল্পনা আছে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন ‘উই হ্যাভ অ্যা প্লান’। আমি খুব সৌভাগ্যবান একজন মানুষ যে ওনার সঙ্গে এই পরিকল্পনার বিভিন্ন অংশে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। উনি কিন্তু প্রস্তুতি নিয়েই এসেছেন। কীভাবে এগুলো বাস্তবায়ন হবে, তা নিয়ে ভাবার কোনো কারণ নেই যে উনি কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই এসেছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মতো আমিও বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের আগে কিছু পরিকল্পনা করেছি। অবশ্যই সেটি শিক্ষার্থীবান্ধব। আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা সবার জন্য কী কী পরিকল্পনা করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুশাসন নিশ্চিত হবে, সেটি আমি ইতোমধ্যে পরিকল্পনায় নিয়েছি। আমাকে আগেই বলা হয়েছিল, তুমি তোমার পরিকল্পনা ডেভেলপ করো। কোথায় করবেন সেটি বলা হয়নি, তবে পরিকল্পনা ডেভেলপ করার জন্য বলা হয়েছিল। আমি সেই পরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি। আশা করছি আপনাদের সকলের সহযোগিতা পাব।

আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রশিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম। এছাড়া স্মারক বক্তা হিসেবে ছিলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ মো. আতিকুল হক।

এসএইচ জাহিদ/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow