আমিরাতের বৃহত্তম তেলক্ষেত্রে ইরানের ড্রোন হামলা, জ্বলে উঠল আগুন
সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহত্তম শাহ তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মধ্যরাতের এই হামলায় তেলক্ষেত্রটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে এক জরুরি বিবৃতিতে আবুধাবি মিডিয়া অফিস এই হামলার খবর নিশ্চিত করে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধারকারী দল ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করেছেন। তবে প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আবুধাবি শহর থেকে প্রায় ২৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এই শাহ তেলক্ষেত্রটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্র পরিচালিত বৃহত্তম তেল উৎপাদন কেন্দ্র। এটি মূলত আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির মালিকানাধীন।
তথ্য অনুযায়ী, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই তেলক্ষেত্র থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭০ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন করা হয়। হামলার ফলে এই বিশাল উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কোনো দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে এই হামলা আমিরাতের জ্বালানি খাতের নিরাপত্ত
সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহত্তম শাহ তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মধ্যরাতের এই হামলায় তেলক্ষেত্রটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে এক জরুরি বিবৃতিতে আবুধাবি মিডিয়া অফিস এই হামলার খবর নিশ্চিত করে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধারকারী দল ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করেছেন। তবে প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আবুধাবি শহর থেকে প্রায় ২৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এই শাহ তেলক্ষেত্রটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্র পরিচালিত বৃহত্তম তেল উৎপাদন কেন্দ্র। এটি মূলত আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির মালিকানাধীন।
তথ্য অনুযায়ী, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই তেলক্ষেত্র থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭০ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন করা হয়। হামলার ফলে এই বিশাল উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কোনো দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে এই হামলা আমিরাতের জ্বালানি খাতের নিরাপত্তাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা