আমি বিচার চাই না, আপনারা বিচার করেন না: রামিসার বাবা

রাজধানীর পল্লবী–তে শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিচার নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা। গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তিনি বলেন, “আমি বিচার চাই না, কারণ আপনারা বিচার করতে পারবেন না। আপনাদের বিচার করার কোনো রেকর্ড নেই।” তিনি আরও বলেন, “আমার মেয়েও আর ফিরে আসবে না। এটা বড়জোর ১৫ দিন চলবে, এরপর আবার অন্য কোনো ঘটনা ঘটবে। তারপর এটা ধামাচাপা পড়ে যাবে।” মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশী সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাতে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ–এর অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত দম্পতি মাত্র দুই মাস আগে ওই ভবনের উল্টো পাশের ফ্ল্যাটে ভাড়া ওঠেন। পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খুঁজতে গিয়ে তার মা অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির স্যান্ডেল দেখতে পান। তিনি দরজায় নক করলেও দীর্ঘ সময় দরজা খোলা হয়নি। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় ভেতরে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছিল এবং মূল অভিযুক্

আমি বিচার চাই না, আপনারা বিচার করেন না: রামিসার বাবা

রাজধানীর পল্লবী–তে শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিচার নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা। গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তিনি বলেন, “আমি বিচার চাই না, কারণ আপনারা বিচার করতে পারবেন না। আপনাদের বিচার করার কোনো রেকর্ড নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আমার মেয়েও আর ফিরে আসবে না। এটা বড়জোর ১৫ দিন চলবে, এরপর আবার অন্য কোনো ঘটনা ঘটবে। তারপর এটা ধামাচাপা পড়ে যাবে।”

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশী সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রাতে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ–এর অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত দম্পতি মাত্র দুই মাস আগে ওই ভবনের উল্টো পাশের ফ্ল্যাটে ভাড়া ওঠেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খুঁজতে গিয়ে তার মা অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির স্যান্ডেল দেখতে পান। তিনি দরজায় নক করলেও দীর্ঘ সময় দরজা খোলা হয়নি। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় ভেতরে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছিল এবং মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে পালানোর সুযোগ করে দিতেই স্ত্রী স্বপ্না দরজা বন্ধ রাখেন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, শিশুটি বিকৃত যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে আলামত গোপন ও মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে মাথা ও হাত বিচ্ছিন্ন করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তবে ধর্ষণের বিষয়টি ময়নাতদন্ত ও কেমিক্যাল পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow