আরব দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জর্ডানের রাজার
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যে কোনো চুক্তিতে আরব দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে বলে জোর দিয়েছেন জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ। খবর আনাদোলু এজেন্সির। রোববার রাজধানী আম্মানে কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাররাহ জাবের আল-আহমদ আল-সাবাহের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। জর্ডানের রাজপ্রাসাদের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে যৌথ আরব উদ্যোগ জোরদারের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাজা আবদুল্লাহ বলেন, উত্তেজনা কমাতে যে কোনো চুক্তিতে অবশ্যই আরব দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানকে ঘিরে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়েছে। পাল্টা হিসেবে তেহরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরায়েলসহ যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি থাকা কিছু আরব দেশ। দুই সপ্তাহ আগে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হলেও সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি। প
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যে কোনো চুক্তিতে আরব দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে বলে জোর দিয়েছেন জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
রোববার রাজধানী আম্মানে কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাররাহ জাবের আল-আহমদ আল-সাবাহের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। জর্ডানের রাজপ্রাসাদের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে যৌথ আরব উদ্যোগ জোরদারের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
রাজা আবদুল্লাহ বলেন, উত্তেজনা কমাতে যে কোনো চুক্তিতে অবশ্যই আরব দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানকে ঘিরে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়েছে। পাল্টা হিসেবে তেহরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরায়েলসহ যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি থাকা কিছু আরব দেশ।
দুই সপ্তাহ আগে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হলেও সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি পরে বাড়ানো হয়।
নতুন করে আলোচনা শুরু করার চেষ্টা চললেও হরমুজ প্রণালি, ইরানের বন্দর অবরোধ এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইস্যুতে মতপার্থক্য এখনো বড় বাধা হয়ে রয়েছে।
What's Your Reaction?