আরশের নিচে সংরক্ষিত হয় যে সহজ আমল
অজু শেষ হওয়ার পর ছোট একটি দোয়া পড়ার অপরিসীম ফজিলত বর্ণিত হয়েছে হাদিসে। নবীজি (সা.) বলেছেন, অজু শেষ করে কেউ যদি দোয়াটি পড়ে, তাহলে তার এই আমল আল্লাহ তাআলার আরশ পর্যন্ত উঠে যায়। আমলটি মোহরাঙ্কিত করে আল্লাহ তাআলার আরশের নিচে সংরক্ষণ করা হয় এবং কেয়ামত পর্যন্ত এভাবেই সংরক্ষিত থাকবে। দোয়াটি হলো: سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ উচ্চারণ: সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আন্তা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা। অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র এবং আপনারই প্রশংসা। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাই এবং আপনার দিকেই ফিরে আসি। (আস-সুনানুল কুবরা লিন-নাসাঈ: ৯৯১১) অজুর পর কালেমায়ে শাহাদাত পড়ার ফজিলত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, পরিপূর্ণরূপে অজু করে যে ব্যক্তি কালেমায়ে শাহাদাত পড়বে, তার জন্য জান্নাতের ৮টি দরজা খুলে দেওয়া হবে, সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা জান্নাতে প্রবেশ করবে। কালেমায়ে শাহাদাত: أَشهَدُ أَنْ لاَ إلهَ إِلاّ
অজু শেষ হওয়ার পর ছোট একটি দোয়া পড়ার অপরিসীম ফজিলত বর্ণিত হয়েছে হাদিসে। নবীজি (সা.) বলেছেন, অজু শেষ করে কেউ যদি দোয়াটি পড়ে, তাহলে তার এই আমল আল্লাহ তাআলার আরশ পর্যন্ত উঠে যায়। আমলটি মোহরাঙ্কিত করে আল্লাহ তাআলার আরশের নিচে সংরক্ষণ করা হয় এবং কেয়ামত পর্যন্ত এভাবেই সংরক্ষিত থাকবে।
দোয়াটি হলো:
سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ
উচ্চারণ: সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আন্তা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র এবং আপনারই প্রশংসা। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাই এবং আপনার দিকেই ফিরে আসি। (আস-সুনানুল কুবরা লিন-নাসাঈ: ৯৯১১)
অজুর পর কালেমায়ে শাহাদাত পড়ার ফজিলত
ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, পরিপূর্ণরূপে অজু করে যে ব্যক্তি কালেমায়ে শাহাদাত পড়বে, তার জন্য জান্নাতের ৮টি দরজা খুলে দেওয়া হবে, সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা জান্নাতে প্রবেশ করবে।
কালেমায়ে শাহাদাত:
أَشهَدُ أَنْ لاَ إلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
উচ্চারণ: আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়ারাসূলুহু।
অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই; তিনি একক, তার কোন শরিক নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার বান্দা ও রাসুল। (সহিহ মুসলিম: ৫৭৬)
অজুর পরিচয় ও ফরজসমূহ
ইসলামে অজু কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ধৌত করার মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জনের একটি পন্থা। নামাজ, তাওয়াফ, কোরআন স্পর্শ করার জন্য অজু অবস্থায় থাকা বাধ্যতামূলক। জিকির, তিলাওয়াতসহ অনেক আমল অজু ছাড়াও করা যায়, কিন্তু অজু অবস্থায় করলে সওয়াব বেড়ে যায়। কোনো আমলের উদ্দেশ্য ছাড়াও অজু করা, অজু অবস্থায় থাকা সওয়াবের কাজ। বিভিন্ন হাদিসে অজু অবস্থায় ঘুমানোরও ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।
অজুর ফরজ কাজ চারটি। পুরো চেহারা ধোয়া, উভয় হাত কনুইসহ ধোয়া, মাথা মাসাহ করা এবং উভয় পা টাখনু পর্যন্ত ধোয়া। অজুর এ চারটি ফরজের কথা কোরআনে এসেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, হে মুমিনগণ, যখন তোমরা নামাজের জন্য উঠবে, তখন তোমাদের মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর, মাথা মাসাহ কর এবং টাখনু পর্যন্ত পা (ধৌত কর)। (সুরা মায়েদা: ৬)
ওএফএফ
What's Your Reaction?