আর্জেন্টিনা প্রেসিডেন্টের বার্তা, ফুটবলের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো উচিত নয়
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর মাঠে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের পতাকা প্রদর্শণ করায় আরও একবার সমালোচনা করলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ফুটবলের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো উচিত নয়। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ কেবল কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালানো উচিত। এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি মার্কিন সংগীত কিংবদন্তি এলভিস প্রেসলির উদাহরণ টানেন। হাভিয়ের মিলেই বলেন, ‘একটি সাক্ষাৎকারে এলভিসকে ভিয়েতনাম যুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, তিনি রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করেন না, কারণ তিনি বিনোদন জগতের মানুষ।’ এরপর তিনি বিস্তারিত বর্ণনা করে বলেন, ‘তেলের সঙ্গে জল মেশানো উচিত নয়। এটা তেমনি খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতিও মেশানো উচিত নয়। এটি একটি খেলা, একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা’ প্রেসিডেন্ট একমত হয়েছেন কোচ লিওনেল স্কালোনির মন্তব্যের সঙ্গেও। খেলোয়াড় ও রাজনীতিবিদদের দায়িত্বের পার্থক্যও তুলে ধরেন হাভিয়ের মিলেই। তার ভাষায় বলেন, ‘মুহূর্তের আবেগে খেলোয়াড়রা কিছু করতে পারে। কিন্তু একজন রাজনীতিকের ক্ষেত্রে তা হতে পা
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর মাঠে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের পতাকা প্রদর্শণ করায় আরও একবার সমালোচনা করলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ফুটবলের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো উচিত নয়। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ কেবল কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালানো উচিত।
এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি মার্কিন সংগীত কিংবদন্তি এলভিস প্রেসলির উদাহরণ টানেন। হাভিয়ের মিলেই বলেন, ‘একটি সাক্ষাৎকারে এলভিসকে ভিয়েতনাম যুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, তিনি রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করেন না, কারণ তিনি বিনোদন জগতের মানুষ।’
এরপর তিনি বিস্তারিত বর্ণনা করে বলেন, ‘তেলের সঙ্গে জল মেশানো উচিত নয়। এটা তেমনি খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতিও মেশানো উচিত নয়। এটি একটি খেলা, একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা’
প্রেসিডেন্ট একমত হয়েছেন কোচ লিওনেল স্কালোনির মন্তব্যের সঙ্গেও। খেলোয়াড় ও রাজনীতিবিদদের দায়িত্বের পার্থক্যও তুলে ধরেন হাভিয়ের মিলেই। তার ভাষায় বলেন, ‘মুহূর্তের আবেগে খেলোয়াড়রা কিছু করতে পারে। কিন্তু একজন রাজনীতিকের ক্ষেত্রে তা হতে পারে না, কারণ তার বক্তব্য যুদ্ধ ঘোষণার সমতুল্য হয়ে যেতে পারে।’
সাক্ষাতকারে তিনি টেনে আনেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ঐতিহাসিক দুই গোলের প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, ‘আমাদের সংযত থাকতে হবে। মারাদোনার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি গোলের কোনোটিই ফকল্যান্ড ফিরিয়ে আনেনি।’
মাইলেই দাবি করেন, তার সরকার কূটনৈতিকভাবে ফকল্যান্ড ইস্যুতে অগ্রগতি অর্জন করেছে। তার ভাষায়, ‘আমরা কূটনৈতিক পথে ফকল্যান্ড পুনরুদ্ধারে অগ্রগতি করেছি। জাতিসংঘের মাধ্যমে আমরা যুক্তরাজ্যকে আলোচনার টেবিলে আসতে বাধ্য করেছি। যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং এমনকি ইংল্যান্ডের কিছু মহলও আমাদের অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।’
এর আগেও ইংল্যান্ডকে হারানোর পর আর্জেন্টিনা দলের “ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার” স্লোগান দেওয়ার সমালোচনা করেছিলেন মাইলেই। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘খেলোয়াড়রা কূটনীতির অংশ নয়। এটি ছিল একটি অবিবেচক কাজ।’
সবশেষে তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, ‘ফুটবল ম্যাচকে সার্বভৌমত্বের দাবির সঙ্গে যুক্ত করা উচিত নয়। ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার এবং আমরা কূটনৈতিক পথেই তা পুনরুদ্ধার করবো।’
আইএন
What's Your Reaction?