আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের রেফারির পক্ষে অবস্থান নিলেন কলিনা

ফিফার রেফারিং কমিটির প্রধান ইতালিয়ান পিয়েরলুইগি কলিনা। জোর দিয়ে বলেছেন যে বিশ্বকাপে রেফারিদের সিদ্ধান্তে কোনো রাজনৈতিক বা বাহ্যিক প্রভাব কাজ করে না। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ব্রাজিলিয়ান রেফারি রাফায়েল ক্লাউস-এর সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শেষ ষোলোর ম্যাচে মার্কিন ফরোয়ার্ড বালোগুনকে লাল কার্ড দেখানোর পর ট্রাম্প তাকে ‘সন্দেহজনক’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। এদিকে, আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ পরিচালনাকারী ফরাসি রেফারি লেতিক্সেয়ের-এর সিদ্ধান্তেরও পক্ষে অবস্থান নেন কলিনা। ওই ম্যাচে ভিএআর-এর পরামর্শে মিশরের একটি গোল বাতিল করা হয়, কারণ আক্রমণ শুরুর সময় ফাউল হয়েছিল বলে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আলভারেজের সঙ্গে সালাহর সংঘর্ষের পরও আর্জেন্টিনার গোল বহাল রাখেন রেফারি, যা নিয়ে মিশরের কোচিং স্টাফ আপত্তি জানায়। কলিনা বলেন, ‘বিশ্বকাপের রেফারিদের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এমন মন্তব্য তাদের এবং তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে হুমকি তৈরি করতে পারে। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘কেউ বলতে পারে না যে ফিফার রেফারিং কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়। এমনকি ফিফা সভাপতি ইনফান্ত

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের রেফারির পক্ষে অবস্থান নিলেন কলিনা

ফিফার রেফারিং কমিটির প্রধান ইতালিয়ান পিয়েরলুইগি কলিনা। জোর দিয়ে বলেছেন যে বিশ্বকাপে রেফারিদের সিদ্ধান্তে কোনো রাজনৈতিক বা বাহ্যিক প্রভাব কাজ করে না।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ব্রাজিলিয়ান রেফারি রাফায়েল ক্লাউস-এর সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শেষ ষোলোর ম্যাচে মার্কিন ফরোয়ার্ড বালোগুনকে লাল কার্ড দেখানোর পর ট্রাম্প তাকে ‘সন্দেহজনক’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

এদিকে, আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ পরিচালনাকারী ফরাসি রেফারি লেতিক্সেয়ের-এর সিদ্ধান্তেরও পক্ষে অবস্থান নেন কলিনা। ওই ম্যাচে ভিএআর-এর পরামর্শে মিশরের একটি গোল বাতিল করা হয়, কারণ আক্রমণ শুরুর সময় ফাউল হয়েছিল বলে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আলভারেজের সঙ্গে সালাহর সংঘর্ষের পরও আর্জেন্টিনার গোল বহাল রাখেন রেফারি, যা নিয়ে মিশরের কোচিং স্টাফ আপত্তি জানায়।

কলিনা বলেন, ‘বিশ্বকাপের রেফারিদের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এমন মন্তব্য তাদের এবং তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে হুমকি তৈরি করতে পারে। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘কেউ বলতে পারে না যে ফিফার রেফারিং কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়। এমনকি ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর দ্বারাও নয়। রেফারিরা সৎভাবে সিদ্ধান্ত নেন এবং খেলোয়াড় ও কোচদের মতো তারাও সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন।’

মিশরের বাতিল হওয়া গোল প্রসঙ্গে কলিনা ব্যাখ্যা করেন, ভিএআর যদি আক্রমণের সূচনায় এমন কোনো ফাউল শনাক্ত করে যা সরাসরি গোলের ওপর প্রভাব ফেলেছে, তাহলে অন-ফিল্ড রিভিউয়ের সুপারিশ করা হয়। এ ক্ষেত্রে ঘটনাটি গোল থেকে কত দূরে ঘটেছে বা কত সময় আগে হয়েছে, তার কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই।

তিনি বলেন, ‘মিশরের স্পষ্টভাবেই আর্জেন্টিনার ৬ নম্বর খেলোয়াড় লিসান্দ্রো মার্টিনেজ-এর পায়ের ওপর পা দিয়েছিলেন। এরপরই মিশরের পাল্টা আক্রমণ থেকে গোলটি আসে, যা পরে বাতিল করা হয়।’

অন্যদিকে, সালাহ ও হুলিয়ান আলভারেজের সংঘর্ষের বিষয়ে কলিনা বলেন, এটি রেফারির ব্যাখ্যার ওপর নির্ভরশীল একটি পরিস্থিতি।

‘প্রতিপক্ষের পায়ে পা দেওয়া ফাউল। কিন্তু একজন ডিফেন্ডার যদি আগে বলে স্পর্শ করেন এবং পরে স্বাভাবিক খেলায় শারীরিক সংস্পর্শ হয়, তাহলে সেটি অপরাধ নয়। ওই ম্যাচের শেষ দিকে সালাহ ও হুলিয়ান আলভারেসের ঘটনায় রেফারি এবং ভিএআর মনে করেছেন এটি ছিল স্বাভাবিক খেলার অংশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই কিছু সিদ্ধান্তে সবসময়ই ব্যক্তিগত ব্যাখ্যার বিষয় থাকবে। তবে পুরো টুর্নামেন্টে এই নীতির প্রয়োগে আমরা সন্তুষ্ট।’

উল্লেখ্য, বিতর্কিত ঘটনাগুলোর পর আনুষ্ঠানিকভাবে ফিফার কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে মিশর।

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow