আলি খামেনির জানাজায় ইউরোপীয় দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানায়নি ইরান 

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় কোনো দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। শুক্রবার (০৩ জুলাই) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।  ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিদল খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে। শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, ইরাকের প্রেসিডেন্ট ও দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার, বাংলাদেশের পার্লামেন্ট স্পিকার ও দেশটির প্রতিনিধিদল, তুর্কমেনিস্তানের প্রতিনিধি দল, জর্জিয়ার প্রেসিডেন্ট, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান, রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ এবং তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট। প্রতিবেদনে বলা হয়, শেষকৃত্যে অংশ নেওয়া দেশগুলোর বেশিরভাগই ইরানের মিত্র বা নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণকারী রাষ্ট্র। ইরানি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, যেসব ইউরোপীয় দেশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে সমর্থন দিয়

আলি খামেনির জানাজায় ইউরোপীয় দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানায়নি ইরান 
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় কোনো দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। শুক্রবার (০৩ জুলাই) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।  ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিদল খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে। শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, ইরাকের প্রেসিডেন্ট ও দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার, বাংলাদেশের পার্লামেন্ট স্পিকার ও দেশটির প্রতিনিধিদল, তুর্কমেনিস্তানের প্রতিনিধি দল, জর্জিয়ার প্রেসিডেন্ট, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান, রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ এবং তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট। প্রতিবেদনে বলা হয়, শেষকৃত্যে অংশ নেওয়া দেশগুলোর বেশিরভাগই ইরানের মিত্র বা নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণকারী রাষ্ট্র। ইরানি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, যেসব ইউরোপীয় দেশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে সমর্থন দিয়েছে, তাদের কাউকে কোনো আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow