এইচএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে ভুয়া পরীক্ষার্থী আটক
রংপুরের পীরগঞ্জে চলতি এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অন্যের হয়ে প্রক্সি পরীক্ষা দিতে এসে ধরা পড়েছেন শুভ ইসলাম রিয়ন (২৬) নামে এক যুবক। ঘটনার পরপরই পরীক্ষা কেন্দ্রে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ওই ভুয়া পরীক্ষার্থীকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পীরগঞ্জ বিজ্ঞান ও কারিগরি কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি (বিএম) পরীক্ষা চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত শুভ ইসলাম রিয়ন পীরগঞ্জ পৌরসভার প্রজাপাড়া গ্রামের মো. শরিফুল ইসলামের ছেলে। কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পীরগঞ্জ বিজ্ঞান ও কারিগরি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী নাজমুল হাসানের (পিতা: আব্দুস সালাম আকন্দ) পরিবর্তে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন শুভ ইসলাম রিয়ন। পরীক্ষা চলাকালে তার খাতা ও আচরণ দেখে দায়িত্বরত শিক্ষকদের সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে ওই পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র ও পরিচয়পত্র যাচাই করতে গিয়ে শিক্ষকরা তাকে ভুয়া পরীক্ষার্থী হিসেবে শনাক্ত করেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ
রংপুরের পীরগঞ্জে চলতি এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অন্যের হয়ে প্রক্সি পরীক্ষা দিতে এসে ধরা পড়েছেন শুভ ইসলাম রিয়ন (২৬) নামে এক যুবক। ঘটনার পরপরই পরীক্ষা কেন্দ্রে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ওই ভুয়া পরীক্ষার্থীকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পীরগঞ্জ বিজ্ঞান ও কারিগরি কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি (বিএম) পরীক্ষা চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত শুভ ইসলাম রিয়ন পীরগঞ্জ পৌরসভার প্রজাপাড়া গ্রামের মো. শরিফুল ইসলামের ছেলে।
কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পীরগঞ্জ বিজ্ঞান ও কারিগরি কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী নাজমুল হাসানের (পিতা: আব্দুস সালাম আকন্দ) পরিবর্তে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন শুভ ইসলাম রিয়ন। পরীক্ষা চলাকালে তার খাতা ও আচরণ দেখে দায়িত্বরত শিক্ষকদের সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে ওই পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র ও পরিচয়পত্র যাচাই করতে গিয়ে শিক্ষকরা তাকে ভুয়া পরীক্ষার্থী হিসেবে শনাক্ত করেন।
বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৩ ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ওই যুবককে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, পাবলিক পরীক্ষায় কোনো ধরনের জালিয়াতি, নকল বা প্রক্সি পরীক্ষার চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?