আলি লারিজানিকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েলে ব্যাপক হামলা
ইরানের বিরুদ্ধে বিনা উসকানিতে চালানো মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা ড. আলি লারিজানির নিহতের প্রতিশোধ হিসেবে ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) ইসরায়েলের তেলআবিব শহরে ১০০টিরও বেশি লক্ষ্যে হামলা চালিয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে আইআরজিসি আগ্রাসনের জবাবে তাদের চলমান প্রতিশোধমূলক ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ৬১তম ধাপে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার কথা জানায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এসএনএসসি) প্রধান ড. লারিজানির শাহাদাতের প্রতিশোধ হিসেবে বহু-ওয়ারহেডযুক্ত খোররামশাহর-৪ ও কাদর ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ইমাদ ও খাইবার শেকান প্রজেক্টাইল ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের লক্ষ্যবস্তুগুলোকে নিশানা করা হয়েছিল।
এতে আরও বলা হয়েছে, এই তীব্র হামলা চলাকালে খোররামশাহর-৪ এবং কাদর ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কোনো বাধার সম্মুখীন না হয়েই অধিকৃত অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে ১০০টিরও বেশি সামরিক ও নিরাপত্তা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
আইআরজিসি এই প্রতিশোধ পর্বের বৈশিষ্ট্যসূচক স্থাপনাটিকে জায়নবাদী শাসনের বহুস্তরীয় ও অত্যন্ত উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভেঙ
ইরানের বিরুদ্ধে বিনা উসকানিতে চালানো মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা ড. আলি লারিজানির নিহতের প্রতিশোধ হিসেবে ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) ইসরায়েলের তেলআবিব শহরে ১০০টিরও বেশি লক্ষ্যে হামলা চালিয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে আইআরজিসি আগ্রাসনের জবাবে তাদের চলমান প্রতিশোধমূলক ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ৬১তম ধাপে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার কথা জানায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এসএনএসসি) প্রধান ড. লারিজানির শাহাদাতের প্রতিশোধ হিসেবে বহু-ওয়ারহেডযুক্ত খোররামশাহর-৪ ও কাদর ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ইমাদ ও খাইবার শেকান প্রজেক্টাইল ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের লক্ষ্যবস্তুগুলোকে নিশানা করা হয়েছিল।
এতে আরও বলা হয়েছে, এই তীব্র হামলা চলাকালে খোররামশাহর-৪ এবং কাদর ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কোনো বাধার সম্মুখীন না হয়েই অধিকৃত অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে ১০০টিরও বেশি সামরিক ও নিরাপত্তা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
আইআরজিসি এই প্রতিশোধ পর্বের বৈশিষ্ট্যসূচক স্থাপনাটিকে জায়নবাদী শাসনের বহুস্তরীয় ও অত্যন্ত উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভেঙে পড়ার ফল বলে উল্লেখ করেছে।
এদিকে মেরিন কর্পস জানিয়েছে, অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪-এর আওতায় এ পর্যন্ত ২৩০ জনেরও বেশি জায়নবাদীকে হত্যা বা আহত করা হয়েছে।
ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের সাম্প্রতিকতম বেআইনি আগ্রাসন শুরুর পর এই প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু হয় বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
তেলআবিব ছাড়াও এটি অধিকৃত পবিত্র শহর আল-কুদস, অধিকৃত হাইফা বন্দর, শাসকগোষ্ঠীর প্রযুক্তিগত কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত বে’র শেভা এবং নেগেভ মরুভূমিতে শত্রুপক্ষের সংবেদনশীল ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের এই যুদ্ধ এখন তৃতীয় সপ্তাহে পদার্পণ করেছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ২,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ এখনও মূলত রুদ্ধ হয়ে আছে। এই নৌপথটি পুনরায় সচল করতে মিত্র দেশগুলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহায়তার অনুরোধ ফিরিয়ে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়ছে এবং মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা তীব্র হচ্ছে।
গত সপ্তাহে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বার্তায় নতুন সর্বোচ্চ নেতা বলেছিলেন যে, ইরানের শত্রুদের ওপর চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখা উচিত। এটি ছিল দায়িত্ব নেওয়ার পর তার প্রথম প্রকাশ্য বার্তা। এদিকে, গত ১৪ মার্চ তিনটি নির্ভরযোগ্য সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছিল যে, মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলো ইরানের যুদ্ধ বন্ধ করার লক্ষ্যে কূটনৈতিক আলোচনার যে উদ্যোগ নিয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসন তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
সূত্র : আল-জাজিরা, রয়টার্স