সিরাজগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসকের তিন মাসের কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জ সদরে নাজমুল ইসলাম (মিঠু) নামে এক ভুয়া চিকিৎসককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের হরিনা পিপুলবাড়ী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে সেখানেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহসান আহমেদ খান। তিনি জানান, নাজমুল ইসলাম (মিঠু) বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সনদ ব্যতীত ডাক্তার পরিচয় ব্যবস্থাপত্র লেখেন। এতে সেবাগ্রহীতার অর্থ, স্বাস্থ্য ও জীবনহানির আশঙ্কা সৃষ্টি করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২২ ধারা অনুযায়ী তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। স্থানীয়রা জানায়, নাজমুল ইসলাম (মিঠু) দীর্ঘদিন ধরে ‘মিঠু ডাক্তার’ নামেই এলাকায় পরিচিত। তিনি ডাক্তার পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছেন। প্রতিদিন তিনি প্রায় ৮০ থেকে ৯০ জন রোগী দেখতেন। যার রোগী প্রতি ফি ছিল ২৫০ টাকা। তার নিজস্ব ফার্মেসি থেকে ব্যবস্থাপত্রে লেখা ওষুধ রোগীদের কিনতে

সিরাজগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসকের তিন মাসের কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জ সদরে নাজমুল ইসলাম (মিঠু) নামে এক ভুয়া চিকিৎসককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের হরিনা পিপুলবাড়ী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে সেখানেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহসান আহমেদ খান। তিনি জানান, নাজমুল ইসলাম (মিঠু) বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সনদ ব্যতীত ডাক্তার পরিচয় ব্যবস্থাপত্র লেখেন। এতে সেবাগ্রহীতার অর্থ, স্বাস্থ্য ও জীবনহানির আশঙ্কা সৃষ্টি করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২২ ধারা অনুযায়ী তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

স্থানীয়রা জানায়, নাজমুল ইসলাম (মিঠু) দীর্ঘদিন ধরে ‘মিঠু ডাক্তার’ নামেই এলাকায় পরিচিত। তিনি ডাক্তার পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছেন। প্রতিদিন তিনি প্রায় ৮০ থেকে ৯০ জন রোগী দেখতেন। যার রোগী প্রতি ফি ছিল ২৫০ টাকা। তার নিজস্ব ফার্মেসি থেকে ব্যবস্থাপত্রে লেখা ওষুধ রোগীদের কিনতে বাধ্য করতেন। শুধু তাই নয়, দুটি কক্ষে রোগীদের জন্য বেড স্থাপন করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করতেন। তার ভুল চিকিৎসায় অনেকেই শারীরিক ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

এম এ মালেক/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow