‘আ.লীগ সরকারের অদক্ষতার কারণে নলুয়া সেতুর কাজ শুরু হয়নি’

সড়ক পরিবহন, সেতু , রেলপথ ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, আওয়ামী লীগের সরকারের অদক্ষতা, আন্তরিকতা ও জনগণের কাছে অঙ্গীকার না থাকার কারণে নলুয়া-বাহেরচর সেতুর ব্রিজের কাজ শুরু করা হয়নি। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কাজে অনেক গতি দিয়েছে, যা আমাদের সেতুর কাজ শুরু করতে সহযোগিতা করেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেলে দুমকি-বাউফল সড়কের সংযোগস্থল রাজাখালী প্রস্তাবিত গোলচত্বর এলাকায় পাণ্ডব-পায়রা নদীর ওপর 'নলুয়া-বাহেরচর’ সেতুর ওপর নির্মিত ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথাগুলো বলেন। পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ, বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের এমপি আবুল হোসেন, পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটনসহ জেলা, উপজেলা বিএনপির নেতারা। এ সময় যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক, পটুয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার উপস্থিত ছি

‘আ.লীগ সরকারের অদক্ষতার কারণে নলুয়া সেতুর কাজ শুরু হয়নি’
সড়ক পরিবহন, সেতু , রেলপথ ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, আওয়ামী লীগের সরকারের অদক্ষতা, আন্তরিকতা ও জনগণের কাছে অঙ্গীকার না থাকার কারণে নলুয়া-বাহেরচর সেতুর ব্রিজের কাজ শুরু করা হয়নি। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কাজে অনেক গতি দিয়েছে, যা আমাদের সেতুর কাজ শুরু করতে সহযোগিতা করেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেলে দুমকি-বাউফল সড়কের সংযোগস্থল রাজাখালী প্রস্তাবিত গোলচত্বর এলাকায় পাণ্ডব-পায়রা নদীর ওপর 'নলুয়া-বাহেরচর’ সেতুর ওপর নির্মিত ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথাগুলো বলেন। পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ, বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের এমপি আবুল হোসেন, পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটনসহ জেলা, উপজেলা বিএনপির নেতারা। এ সময় যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক, পটুয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার উপস্থিত ছিলেন। সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০২৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এ সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ১৩৮০ মিটার। এর মধ্যে মূল সেতু হবে স্টিল টাইড আর্চ (৪২০ মিটার) এবং ভায়াডাক্ট অংশ হবে প্রি-স্ট্রেসড আই গার্ডার (৯৬০ মিটার)। এছাড়া ৩.২৯ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ, টোল প্লাজা স্থাপন, ওয়েই ব্রিজ নির্মাণ ও নদীতীর সংরক্ষণ কাজ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রকল্পটি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন নির্মাণকাজ পরিচালনা করছে। ২০২১ সালের ৮ জুন একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদিত হয় এবং ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে সেতুটির কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্য থাকলেও, বিভিন্ন কারণে নির্মাণ কাজ শুরু হতে দেরি হয়েছে। নলুয়া-বাহেরচর সেতু দিয়ে যানচলাচল শুরু হলে বরিশালের সাথে পটুয়াখালীর দুমকি ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। এ অঞ্চলের কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow