আল-আকসায় ঈদের নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের ওপর হামলা

ফিলিস্তিনের আল-আকসা মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়তে মুসল্লিদের বাধা দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। নামাজ পড়তে গেলে তাদের ওপর টিয়ার গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির। ইসরায়েল জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মসজিদে প্রবেশ করতে না পেরে অনেক মুসল্লি আশপাশের রাস্তায় ঈদের নামাজ আদায় করেন। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ মুসল্লিদের যতটা সম্ভব কাছাকাছি স্থানে জড়ো হয়ে নামাজ পড়ার আহ্বান জানায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুরান শহরের বিভিন্ন এলাকায় কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অনেক জায়গায় মানুষকে ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে এবং অন্তত একজনকে আটক করা হয়েছে। এদিকে, আল-আকসা মসজিদ গত প্রায় ২১ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ঈদের দিনও মুসল্লিদের সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। জেরুসালেমের বিভিন্ন চেকপয়েন্ট বন্ধ করে দেওয়ায় অনেক ফিলিস্তিনি মসজিদে যেতে পারেননি। এতে সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হয় এবং অনেক ব্যবসায়ী আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক

আল-আকসায় ঈদের নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের ওপর হামলা
ফিলিস্তিনের আল-আকসা মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়তে মুসল্লিদের বাধা দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। নামাজ পড়তে গেলে তাদের ওপর টিয়ার গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির। ইসরায়েল জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মসজিদে প্রবেশ করতে না পেরে অনেক মুসল্লি আশপাশের রাস্তায় ঈদের নামাজ আদায় করেন। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ মুসল্লিদের যতটা সম্ভব কাছাকাছি স্থানে জড়ো হয়ে নামাজ পড়ার আহ্বান জানায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুরান শহরের বিভিন্ন এলাকায় কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অনেক জায়গায় মানুষকে ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে এবং অন্তত একজনকে আটক করা হয়েছে। এদিকে, আল-আকসা মসজিদ গত প্রায় ২১ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ঈদের দিনও মুসল্লিদের সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। জেরুসালেমের বিভিন্ন চেকপয়েন্ট বন্ধ করে দেওয়ায় অনেক ফিলিস্তিনি মসজিদে যেতে পারেননি। এতে সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হয় এবং অনেক ব্যবসায়ী আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow