আল ফায়হার গোলরক্ষকের উপহারে হৃদয় ছুঁয়ে গেলো রোনালদোর
সংস্কৃতিকে একত্র করে ফুটবল অসাধারণ সব গল্প তৈরি করতে পারে। সম্প্রতি আল ফায়হার বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে জিতেছে আল নাসর। তবে হ্যামস্ট্রিং চোটে পড়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তাই ম্যাচ নিয়ে তেমন আলোচনা হয়নি। তবে এই ম্যাচে বাড়তি কিছু প্রাপ্তি আছে পর্তুগিজ তারকার। ম্যাচের পর, ৪১ বছর বয়সী রোনালদো বিশেষ এক উপহার পান যা তার পুরো ফুটবল ক্যারিয়ারের যাত্রাপথকে তুলে ধরেছে। আল ফায়হার গোলকিপার ওর্লান্ডো মসকুয়েরা এটি উপহার হিসেবে তুলে নেন রোনালদোর হাতে। কাজটি করেছেন পানামার শিল্পী কুটি মসকুয়েরা। দুই দশকেরও বেশি সময় আগে শুরু হয়েছে রোনালদোর ক্যারিয়ার। শুরুটা ছিলো ২০০২-০৩ মৌসুমে স্পোর্টিং সিপিতে। যেখানে তার গতি, কৌশল এবং প্রতিপক্ষকে অস্থির করার দক্ষতা তৎক্ষণাৎ নজর কেড়েছিল। এরপর তিনি সমগ্র বিশ্বে খ্যাতি পান ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলে। ২০০৩ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সেই ক্লাবের জার্সি গায়ে মাঠ মাতিয়েছিলেন তিনি প্রথম দফায়। তবে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে দাপুটে সময় কাটান স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে। ২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ক্লাবটির হয়ে ১৬টি শিরোপা জিতেছে। যেখানে রয়েছে ৪টি ইউরোপা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ, দুটি লা লিগা এবং দুটি কো
সংস্কৃতিকে একত্র করে ফুটবল অসাধারণ সব গল্প তৈরি করতে পারে। সম্প্রতি আল ফায়হার বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে জিতেছে আল নাসর। তবে হ্যামস্ট্রিং চোটে পড়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তাই ম্যাচ নিয়ে তেমন আলোচনা হয়নি। তবে এই ম্যাচে বাড়তি কিছু প্রাপ্তি আছে পর্তুগিজ তারকার।
ম্যাচের পর, ৪১ বছর বয়সী রোনালদো বিশেষ এক উপহার পান যা তার পুরো ফুটবল ক্যারিয়ারের যাত্রাপথকে তুলে ধরেছে। আল ফায়হার গোলকিপার ওর্লান্ডো মসকুয়েরা এটি উপহার হিসেবে তুলে নেন রোনালদোর হাতে। কাজটি করেছেন পানামার শিল্পী কুটি মসকুয়েরা।
দুই দশকেরও বেশি সময় আগে শুরু হয়েছে রোনালদোর ক্যারিয়ার। শুরুটা ছিলো ২০০২-০৩ মৌসুমে স্পোর্টিং সিপিতে। যেখানে তার গতি, কৌশল এবং প্রতিপক্ষকে অস্থির করার দক্ষতা তৎক্ষণাৎ নজর কেড়েছিল। এরপর তিনি সমগ্র বিশ্বে খ্যাতি পান ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলে। ২০০৩ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সেই ক্লাবের জার্সি গায়ে মাঠ মাতিয়েছিলেন তিনি প্রথম দফায়।
তবে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে দাপুটে সময় কাটান স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে। ২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ক্লাবটির হয়ে ১৬টি শিরোপা জিতেছে। যেখানে রয়েছে ৪টি ইউরোপা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ, দুটি লা লিগা এবং দুটি কোপা দেল রে। এছাড়াও, তিনি ক্লাবের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন এবং জিতেছেন চারবার ব্যালন ডি’অর। সেখান থেকে যোগ দেন ইতালির জুভেন্টাসে। ২০১৮ থেকে ২০২১ পর্যন্ত খেলেন সেই ক্লাবে। সেখান থেকে আবারও ফেরত যান ম্যান ইউনাইটেডে।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপের পর ২০২৩ পাড়ি জমান সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল-নাসরে। তিনি যোগ দেওয়ায় বলা যায় সৌদি ফুটবলের নতুন উন্মাদনা চোখে পড়ে সবার মাঝে।
এই সব কীর্তি এবং পর্তুগাল জাতীয় দলের সাথে তার প্রদর্শিত অসাধারণ খেলা, যেমন ২০২৪-২৫ নেশনস লিগে অর্জিত সাফল্যও, তুলে ধরা হয়েছে একটি বিশেষ জুতার জোড়ায়, যা তার খেলায় অংশ নেওয়া সমস্ত ক্লাবকে প্রতিফলিত করছে।
দুর্দন্ত এই কাজটি করেছেন পানামার শিল্পী ওর্লান্ডো মসকুয়েরা। উপহারটি তিনি রোনালদোর কাছে পৌঁছান আল ফায়হার গোলকিপারের মাধ্যমে। জুতা জোড়া সাদরে গ্রহণ করে ফটোগ্রাফে পোজ দেন। জুতার বিনিময়ে তিনি স্বাক্ষরিত পর্তুগাল জাতীয় দলের জার্সি উপহার দেন, যা ওয়াল্ডো নিজেই পাঠিয়েছিলেন, যাতে রোনালদোর স্বাক্ষর জার্সিতে ফিরে আসে।
রোনালদো তার অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম একাউন্টে এই বিশেষ উপহার এবং “কুটি” মসকুয়েরার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, পানামার এই শিল্পীর কাজ ইতোমধ্যেই লিওনেল মেসি, রাদামেল ফালকাও এবং ভিনিসিয়াস জুনিয়রের মতো অন্যান্য ক্রীড়া কিংবদন্তিদের কাছেও পৌঁছেছে, এবার পেলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
এটি নিঃসন্দেহে একটি উপহার যা শ্রদ্ধা ও প্রশংসার প্রতীক, এবং গোলরক্ষকের এই উদারতা ম্যাচের ফলাফলের বাইরে গিয়ে ফুটবল প্রেমীদের হৃদয়ে ছাপ ফেলেছে।
আইএন
What's Your Reaction?