জ্বালানি সরবরাহ গতিশীল করতে সমন্বিত উদ্যোগ
দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও গতিশীল করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সব চাহিদা সমন্বিতভাবে নিরূপণ করা এবং জ্বালানিবাহী জাহাজকে চট্টগ্রাম বন্দরে বিশেষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই চেইন ও বাংকারিং বিষয়ক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান। সভায় জানানো হয়, বন্দরের সার্বিক অপারেশনাল কার্যক্রম ও লজিস্টিক সহায়তা আগের মতোই নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বহির্নোঙরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরে জ্বালানি পণ্যের সরবরাহ ও হ্যান্ডলিং কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে আগত জাহাজগুলোর বাংকারিং ও সংশ্লিষ্ট জ্বালানি সরবরাহের প্রধান উৎস সিঙ্গাপুর ও মা
দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও গতিশীল করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সব চাহিদা সমন্বিতভাবে নিরূপণ করা এবং জ্বালানিবাহী জাহাজকে চট্টগ্রাম বন্দরে বিশেষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই চেইন ও বাংকারিং বিষয়ক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান।
সভায় জানানো হয়, বন্দরের সার্বিক অপারেশনাল কার্যক্রম ও লজিস্টিক সহায়তা আগের মতোই নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বহির্নোঙরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরে জ্বালানি পণ্যের সরবরাহ ও হ্যান্ডলিং কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে আগত জাহাজগুলোর বাংকারিং ও সংশ্লিষ্ট জ্বালানি সরবরাহের প্রধান উৎস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া হওয়ায় বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব এখানে তুলনামূলকভাবে কম।
তিনি জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এবং বিকল্প উৎস অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থাপিত সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, উপসাগরীয় অঞ্চলসহ বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানিবাহী জাহাজ নিয়মিতভাবে বন্দরে আসছে। বর্তমানে কাতার, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসা ৫টি এলএনজি এবং ২টি এলপিজিবাহী বড় জাহাজসহ মোট ১৪টি জ্বালানিবাহী জাহাজ বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছে বা আসার পথে রয়েছে।
এ ছাড়া সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলবাহী জাহাজও নিয়মিতভাবে আসছে। বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পণ্য নিয়ে এসব জাহাজের ধারাবাহিক আগমন এবং দ্রুত বার্থিং সুবিধা নিশ্চিত করা থেকে বোঝা যাচ্ছে যে বন্দরে বর্তমানে কোনো জট নেই এবং জ্বালানি সরবরাহ কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, দেশে বর্তমানে জ্বালানি মজুত সন্তোষজনক রয়েছে এবং চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করার সক্ষমতা রয়েছে। বিশেষ করে নৌ-বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের জ্বালানি চাহিদা পূরণে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সমন্বয়ে কার্যকর কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।
সভায় চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি), নৌপরিবহন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, ওমেরা ফুয়েল লিমিটেড, পদ্মা অয়েল কোম্পানি, বাংলাদেশ ওশানগোয়িং শিপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, কোস্টাল শিপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ শিপ হ্যান্ডলিং অ্যান্ড বার্থ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?