আশা ভোসলের সঙ্গে স্মৃতি রোমন্থন করলেন ব্রেট লি 

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তারকা ক্রিকেটার ব্রেট লি কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোসলের সঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতিচারণ করেছেন। ২০০৬ সালে তাদের একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, এটি তার জীবনের অন্যতম মূল্যবান মুহূর্তগুলোর একটি। ব্রেট লি তার আত্মজীবনী ‘মাই লাইফ’–এ আশা ভোসলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। ২০০৩ বিশ্বকাপজয়ী লি বইয়ে জানান, ২০০৬ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে ভারতে গিয়ে মিউজিক ভিডিওর শুটিং করেছিলেন। হিন্দিতে ‘হাঁ, ম্যায় তুমহারা হুঁ, তুমহারা হি রহুঙ্গা’ গান গেয়েছিলেন ৪৯ বছর বয়সী লি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২০০৬ ও ২০০৯ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিজয়ী লি বইয়ে লেখেন, ‘খুব মজা করেছিলাম। শুটিংয়ে যাওয়ার সময় আমার কোনো সতীর্থকেই বলিনি যে আমি কী করছি। তাদের বলেছিলাম, শহরের রাস্তাঘাট ঘুরে দেখতে যাচ্ছি। সেই দ্রুত লয়ের রেকর্ডিং–অভিজ্ঞতার চার মাস পর সিডনি অপেরা হাউসে এক অনুষ্ঠানে আশার সঙ্গে আমার দেখা হয়। তিনি আমাকে তার একটি সংকলিত অ্যালবামে ব্যক্তিগত বার্তা লিখে উপহার দিয়েছিলেন। এটি চিরকাল আমার অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে।’ লি আরও জানান, ‘আশা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে গানটির কথা তিনি মাত্র আধ

আশা ভোসলের সঙ্গে স্মৃতি রোমন্থন করলেন ব্রেট লি 
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তারকা ক্রিকেটার ব্রেট লি কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোসলের সঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতিচারণ করেছেন। ২০০৬ সালে তাদের একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, এটি তার জীবনের অন্যতম মূল্যবান মুহূর্তগুলোর একটি। ব্রেট লি তার আত্মজীবনী ‘মাই লাইফ’–এ আশা ভোসলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। ২০০৩ বিশ্বকাপজয়ী লি বইয়ে জানান, ২০০৬ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে ভারতে গিয়ে মিউজিক ভিডিওর শুটিং করেছিলেন। হিন্দিতে ‘হাঁ, ম্যায় তুমহারা হুঁ, তুমহারা হি রহুঙ্গা’ গান গেয়েছিলেন ৪৯ বছর বয়সী লি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২০০৬ ও ২০০৯ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিজয়ী লি বইয়ে লেখেন, ‘খুব মজা করেছিলাম। শুটিংয়ে যাওয়ার সময় আমার কোনো সতীর্থকেই বলিনি যে আমি কী করছি। তাদের বলেছিলাম, শহরের রাস্তাঘাট ঘুরে দেখতে যাচ্ছি। সেই দ্রুত লয়ের রেকর্ডিং–অভিজ্ঞতার চার মাস পর সিডনি অপেরা হাউসে এক অনুষ্ঠানে আশার সঙ্গে আমার দেখা হয়। তিনি আমাকে তার একটি সংকলিত অ্যালবামে ব্যক্তিগত বার্তা লিখে উপহার দিয়েছিলেন। এটি চিরকাল আমার অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে।’ লি আরও জানান, ‘আশা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে গানটির কথা তিনি মাত্র আধা ঘণ্টায় লিখেছিলেন। সেই স্মৃতিচারণায় লি লেখেন, ‘আমাকে প্রমাণ করতে হয়েছিল যে আমি গাইতে পারি। দলের হোটেলের একটি কক্ষে কয়েকটি গান গেয়ে আমি সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই। শমীর (ট্যান্ডন) ফলাফলে খুশি ছিলেন। আমাকে জানানো হয়, সংকলনের জন্য একটি গান বেছে নেওয়া হবে...শুধু একটি বিষয় আমার বদলানোর ছিল।’ লি জানতে চেয়েছিলেন, ‘আমি কি নিজের গান নিজে লিখতে পারি’—এরপর ভার্জিন রেকর্ডস ইন্ডিয়ার সিইও শমীর ট্যান্ডনের অনুমতি পাওয়ার পর লি গানটি লিখতে শুরু করেন। ২০১১ সালে আশা ভোসলের প্রশংসায় লি তার সঙ্গে কাজ করাকে ‘অসাধারণ সুযোগ’ বলেন। লি লিখেছিলেন, ‘অত্যন্ত চমৎকার ও ভদ্র একজন মানুষ, যার রসবোধ দারুণ। এমন এক কিংবদন্তির সঙ্গে কাজ করাটা সত্যিই এক বিশাল সুযোগ ছিল। সত্তরের কোঠায় থেকেও তিনি বলিউড চলচ্চিত্রের জন্য হাজার হাজার গান গেয়েছেন এবং অসংখ্য অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন। ভারতীয় সংগীতের ক্ষেত্রে তিনি আরেথা ফ্র্যাঙ্কলিনের মতো।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow