আশুলিয়ায় হকার ও নিরাপত্তাকর্মীদের সংঘর্ষে আহত ৩, উত্তেজনা
আশুলিয়ায় ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে একটি নারী ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নিরাপত্তাকর্মী ও হকারদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সাভারের আশুলিয়ার সরকার মার্কেট এলাকায় সংঘটিত এই ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে দোকান বসানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এতে গুলজার, সোহেল ও রাজু নামের তিন ফুটপাতের দোকানি আহত হন।আহত গুলজার অভিযোগ করেন, তিনি হাসপাতালের সামনে সরকারি সড়কে ডাব বিক্রি করছিলেন। এ সময় হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে সরে যেতে বলেন। সরকারি রাস্তায় থাকার কারণে তিনি অস্বীকৃতি জানালে আলামিন নামের এক নিরাপত্তাকর্মীর নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে মারধর করে হাসপাতালের আন্ডারগ্রাউন্ডে নিয়ে যান। সেখানে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক একটি জবানবন্দিতে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে দোকানিদের ওপর হামলা চালালে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে তিনিসহ আরও দুজন আহত হন।তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাসপাতালের ম্যানেজার হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, আগের দিনই হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে দোকান
আশুলিয়ায় ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে একটি নারী ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নিরাপত্তাকর্মী ও হকারদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সাভারের আশুলিয়ার সরকার মার্কেট এলাকায় সংঘটিত এই ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে দোকান বসানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এতে গুলজার, সোহেল ও রাজু নামের তিন ফুটপাতের দোকানি আহত হন।
আহত গুলজার অভিযোগ করেন, তিনি হাসপাতালের সামনে সরকারি সড়কে ডাব বিক্রি করছিলেন। এ সময় হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে সরে যেতে বলেন। সরকারি রাস্তায় থাকার কারণে তিনি অস্বীকৃতি জানালে আলামিন নামের এক নিরাপত্তাকর্মীর নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে মারধর করে হাসপাতালের আন্ডারগ্রাউন্ডে নিয়ে যান। সেখানে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক একটি জবানবন্দিতে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে দোকানিদের ওপর হামলা চালালে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে তিনিসহ আরও দুজন আহত হন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাসপাতালের ম্যানেজার হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, আগের দিনই হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে দোকান বসাতে নিষেধ করা হয়েছিল। এরপরও ভ্যানে করে দোকান বসানো হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গুলজারকে হাসপাতালে আনার জন্য নিরাপত্তাকর্মীদের পাঠানো হয়। তিনি আসতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে নিয়ে আসা হয়। এ সময় তার হাতে একটি দা ছিল, সেটি সরাতে গিয়ে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে এবং তার শরীরে আঁচড় লাগে। তাকে মারধর করা হয়নি এবং এ বিষয়ে তাদের কাছে ভিডিওসহ স্বীকারোক্তি রয়েছে।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আজগর আলী বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, বিষয়টি দ্রুত সমাধান না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।
What's Your Reaction?