আশুলিয়ায় নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে পড়ে রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু

ঢাকার আশুলিয়ায় নির্মাণাধীন একটি ভবনের প্রায় ৬০ ফুট গভীর সেপটিক ট্যাংকে পড়ে আলম (২৭) নামে এক রাজমিস্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে আশুলিয়ার ছয়তলা রূপায়ন হাউজিং এলাকার তৌহিদ উদ্দীনের নির্মাণাধীন ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আলম ইসলাম পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার কুমারপাড়া এলাকার আব্দুল ওয়াহবের ছেলে। তিনি আশুলিয়ার সরকার মার্কেট এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, নির্মাণাধীন ভবনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই আলমকে রশির সাহায্যে প্রায় ৬০ ফুট গভীর সেপটিক ট্যাংকে নামানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে রশি ছিঁড়ে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আশুলিয়ার নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর ভবনের মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। এদিকে ভবনের কন্ট্রাক্টর ফারুক সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। আশুলিয়া নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ইনচার্জ হারুন অর রশীদ বলেন, “হাস

আশুলিয়ায় নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে পড়ে রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু

ঢাকার আশুলিয়ায় নির্মাণাধীন একটি ভবনের প্রায় ৬০ ফুট গভীর সেপটিক ট্যাংকে পড়ে আলম (২৭) নামে এক রাজমিস্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে আশুলিয়ার ছয়তলা রূপায়ন হাউজিং এলাকার তৌহিদ উদ্দীনের নির্মাণাধীন ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আলম ইসলাম পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার কুমারপাড়া এলাকার আব্দুল ওয়াহবের ছেলে। তিনি আশুলিয়ার সরকার মার্কেট এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, নির্মাণাধীন ভবনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই আলমকে রশির সাহায্যে প্রায় ৬০ ফুট গভীর সেপটিক ট্যাংকে নামানো হচ্ছিল।

একপর্যায়ে রশি ছিঁড়ে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আশুলিয়ার নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর ভবনের মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। এদিকে ভবনের কন্ট্রাক্টর ফারুক সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

আশুলিয়া নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ইনচার্জ হারুন অর রশীদ বলেন, “হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারছি না।”

এ বিষয়ে জামগড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রাশেদুজ্জামান বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা নির্মাণকাজে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow