আয়া সোফিয়ায় চিরকাল আজানের ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হবে: এরদোয়ান

ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক আয়া সোফিয়া গ্র্যান্ড মসজিদ মুসলমানদের ইবাদতের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়ার ষষ্ঠ বার্ষিকী উদযাপন করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে এরদোয়ান বলেন, “আজ থেকে ছয় বছর আগে ৮৬ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আয়া সোফিয়া তার মূল পরিচয় ফিরে পেয়েছিল। ইনশাআল্লাহ, এই বরকতময় মসজিদে চিরকাল আজানের ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হতে থাকবে। আয়া সোফিয়ার এই পুনর্জাগরণ সবার জন্য কল্যাণ বয়ে আনুক।” মূলত একটি গির্জা হিসেবে নির্মিত হয়েছিল আয়া সোফিয়া। প্রায় ৯১৬ বছর এটি খ্রিস্টানদের উপাসনালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পরে ১৪৫৩ সালে অটোমান সাম্রাজ্য ইস্তাম্বুল জয় করলে সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদ তার ওয়াকফ দলিলের মাধ্যমে এটিকে মসজিদে রূপান্তর করেন। ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত স্থাপনাটি মসজিদ হিসেবেই ব্যবহৃত হয়। পরে মন্ত্রিসভার এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে ঐতিহাসিক মসজিদটিকে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয় এবং পরবর্তী ৮৬ বছর এটি জাদুঘর হিসেবে সংরক্ষিত ছিল। তবে ২০২০ সালের ১০ জুলাই তুরস্কের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আদালত কাউন্সিল অব স্টেট ১৯৩৪ সালের ওই অধ্যাদেশ বাতিল কর

আয়া সোফিয়ায় চিরকাল আজানের ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হবে: এরদোয়ান

ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক আয়া সোফিয়া গ্র্যান্ড মসজিদ মুসলমানদের ইবাদতের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়ার ষষ্ঠ বার্ষিকী উদযাপন করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে এরদোয়ান বলেন, “আজ থেকে ছয় বছর আগে ৮৬ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আয়া সোফিয়া তার মূল পরিচয় ফিরে পেয়েছিল।

ইনশাআল্লাহ, এই বরকতময় মসজিদে চিরকাল আজানের ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হতে থাকবে। আয়া সোফিয়ার এই পুনর্জাগরণ সবার জন্য কল্যাণ বয়ে আনুক।”

মূলত একটি গির্জা হিসেবে নির্মিত হয়েছিল আয়া সোফিয়া। প্রায় ৯১৬ বছর এটি খ্রিস্টানদের উপাসনালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পরে ১৪৫৩ সালে অটোমান সাম্রাজ্য ইস্তাম্বুল জয় করলে সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদ তার ওয়াকফ দলিলের মাধ্যমে এটিকে মসজিদে রূপান্তর করেন।

১৯৩৪ সাল পর্যন্ত স্থাপনাটি মসজিদ হিসেবেই ব্যবহৃত হয়। পরে মন্ত্রিসভার এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে ঐতিহাসিক মসজিদটিকে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয় এবং পরবর্তী ৮৬ বছর এটি জাদুঘর হিসেবে সংরক্ষিত ছিল।

তবে ২০২০ সালের ১০ জুলাই তুরস্কের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আদালত কাউন্সিল অব স্টেট ১৯৩৪ সালের ওই অধ্যাদেশ বাতিল করে দেয়। এর ফলে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাকে পুনরায় মসজিদ হিসেবে চালু করার পথ উন্মুক্ত হয়।

২০২০ সালের জুলাই মাসেই আয়া সোফিয়ায় প্রথম জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়, যা তুরস্কসহ বিশ্বের মুসলমানদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি / এনটি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow