ইইউর সঙ্গে অভিবাসন সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপীয় কমিশনের আন্তর্জাতিক প্রত্যাবাসন ও ভিসাবিষয়ক পরিচালক হেনরিক নিলসেন। বুধবার (১০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) প্রতিনিধিদলের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের বহুমুখী অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় ইইউয়ের অব্যাহত সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ ও ইইউয়ের মধ্যে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের কথা স্মরণ করেন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। আলোচনায় অভিবাসন ও গতিশীলতা সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণভাবে স্থান পায়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মানবপাচার এবং সব ধরনের অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জিরো-টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির ওপর জোর দেন। তিনি ‘ইইউ ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ইইউভু
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপীয় কমিশনের আন্তর্জাতিক প্রত্যাবাসন ও ভিসাবিষয়ক পরিচালক হেনরিক নিলসেন।
বুধবার (১০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) প্রতিনিধিদলের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের বহুমুখী অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় ইইউয়ের অব্যাহত সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন।
তিনি বাংলাদেশ ও ইইউয়ের মধ্যে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের কথা স্মরণ করেন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। আলোচনায় অভিবাসন ও গতিশীলতা সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণভাবে স্থান পায়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মানবপাচার এবং সব ধরনের অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জিরো-টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির ওপর জোর দেন।
তিনি ‘ইইউ ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ইইউভুক্ত দেশগুলোর প্রতি নতুন আইনি অভিবাসন পথ তৈরি ও বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী এবং পেশাজীবীদের জন্য সুযোগ সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
উভয়পক্ষ ইইউয়ের আসন্ন ‘অ্যাসাইলাম অ্যান্ড রিটার্ন বর্ডার প্রসিডিউর’ (আশ্রয় ও প্রত্যাবাসন সীমান্ত প্রক্রিয়া) নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং অভিবাসন ও প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়, নিয়মিত সংলাপ ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
উভয়পক্ষই অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি ও পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে চলমান প্রচেষ্টার ওপর আলোকপাত করেন।
আলোচনায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন, বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ, শিক্ষা, ক্রীড়া এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতাসহ বিস্তৃত বিষয় স্থান পায়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ধন্যবাদ জানান এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ বজায় রাখার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন।
এমইউ/বিএ
What's Your Reaction?