ইউক্রেনের ড্রোন বিধ্বংসী ডিপোতে ইরানের হামলা
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একটি ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে ইরান। এলাকাটি ইউক্রেনের ড্রোন বিধ্বংসী ডিপো হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
শনিবার (২৮ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, দুবাইয়ে অবস্থানরত একটি ইউক্রেনীয় অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম ডিপোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, ওই স্থাপনাটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করছিল।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত বিবৃতিতে বলা হয়, দুবাইয়ে মার্কিন কমান্ডার ও সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলার সময়, যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার জন্য স্থাপিত একটি ইউক্রেনীয় অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম ডিপো ধ্বংস করা হয়েছে।
এদিকে একই দিনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আকস্মিক সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যান। সফরকালে তিনি জানান, দুই দেশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদারে সম্মত হয়েছে।
অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত ‘শাহেদ’ ড্রোনের আরও উন্নত সংস্করণ রাশিয়া ই
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একটি ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে ইরান। এলাকাটি ইউক্রেনের ড্রোন বিধ্বংসী ডিপো হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
শনিবার (২৮ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, দুবাইয়ে অবস্থানরত একটি ইউক্রেনীয় অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম ডিপোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, ওই স্থাপনাটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করছিল।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত বিবৃতিতে বলা হয়, দুবাইয়ে মার্কিন কমান্ডার ও সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলার সময়, যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার জন্য স্থাপিত একটি ইউক্রেনীয় অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম ডিপো ধ্বংস করা হয়েছে।
এদিকে একই দিনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আকস্মিক সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যান। সফরকালে তিনি জানান, দুই দেশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদারে সম্মত হয়েছে।
অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত ‘শাহেদ’ ড্রোনের আরও উন্নত সংস্করণ রাশিয়া ইরানে পাঠাচ্ছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তারা। বার্তা সংস্থা এপিকে তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
সূত্রের বরাতে এপি জানিয়েছ, আগে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের ময়দানে ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করলেও এখন সেগুলোকে আরও আধুনিক করে তুলেছে মস্কো। নতুন সংস্করণে যুক্ত করা হয়েছে জেট ইঞ্জিন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর নেভিগেশন, উন্নত জ্যামার-প্রতিরোধী প্রযুক্তি এবং স্টারলিংকের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ডিভাইস।
এই উন্নত ড্রোনগুলো বর্তমানে তেহরানে পাঠানো হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের ধারণা, আজারবাইজান হয়ে মানবিক সহায়তার আড়ালে ট্রাকে করে এসব ড্রোন পরিবহন করা হচ্ছে। তবে এটি এককালীন নাকি ধারাবাহিক সরবরাহ তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, এই অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’। অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, ইরান অন্য কোনো দেশ থেকে যা-ই পাক না কেন, তা আমাদের অভিযানের সাফল্যে প্রভাব ফেলবে না।