ইউক্রেন যুদ্ধে গিয়ে বেঁচে ফেরা তরুণদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা
ভালো চাকরি ও উচ্চ বেতনের লোভ দেখিয়ে কেনিয়ার তরুণদের রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক সেনাবাহিনীতে যোগ করানোর অভিযোগ উঠেছে। ইউক্রেন যুদ্ধে গিয়ে প্রাণে বেঁচে ফেরা চার কেনিয়ান বার্তা সংস্থা এএফপিকে তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। নিরাপত্তার কারণে তাদের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।
তারা জানান, নাইরোবিভিত্তিক একটি নিয়োগ সংস্থা তাদের রাশিয়ায় চাকরির প্রলোভন দেখায়। কেউ ভেবেছিলেন বিক্রয়কর্মী হবেন, কেউ নিরাপত্তারক্ষী, আবার কেউ ক্রীড়া পেশায় সুযোগ পাবেন। মাসে ১ থেকে ৩ হাজার ডলার বেতনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর তাদের সামরিক চুক্তিতে সই করতে বাধ্য করা হয়। সই না করলে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন তারা।
তাদের অনেককে বলা হয়েছিল মোটা অঙ্কের টাকা দিলে দেশে ফিরতে পারবেন, যা তাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব ছিল না। ফলে বাধ্য হয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে যেতে হয়। কেউ খুব কম টাকা পেয়েছেন, কেউ আবার কোনো অর্থই পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।
এ ঘটনার সঙ্গে ‘গ্লোবাল ফেস হিউম্যান রিসোর্সেস’ নামের একটি নিয়োগ সংস্থার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সংস্থার এক কর্মীর বিরুদ্ধে মানব পাচারের মামলা চলছে। কেনিয়া সরকার
ভালো চাকরি ও উচ্চ বেতনের লোভ দেখিয়ে কেনিয়ার তরুণদের রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক সেনাবাহিনীতে যোগ করানোর অভিযোগ উঠেছে। ইউক্রেন যুদ্ধে গিয়ে প্রাণে বেঁচে ফেরা চার কেনিয়ান বার্তা সংস্থা এএফপিকে তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। নিরাপত্তার কারণে তাদের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।
তারা জানান, নাইরোবিভিত্তিক একটি নিয়োগ সংস্থা তাদের রাশিয়ায় চাকরির প্রলোভন দেখায়। কেউ ভেবেছিলেন বিক্রয়কর্মী হবেন, কেউ নিরাপত্তারক্ষী, আবার কেউ ক্রীড়া পেশায় সুযোগ পাবেন। মাসে ১ থেকে ৩ হাজার ডলার বেতনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর তাদের সামরিক চুক্তিতে সই করতে বাধ্য করা হয়। সই না করলে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন তারা।
তাদের অনেককে বলা হয়েছিল মোটা অঙ্কের টাকা দিলে দেশে ফিরতে পারবেন, যা তাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব ছিল না। ফলে বাধ্য হয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে যেতে হয়। কেউ খুব কম টাকা পেয়েছেন, কেউ আবার কোনো অর্থই পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।
এ ঘটনার সঙ্গে ‘গ্লোবাল ফেস হিউম্যান রিসোর্সেস’ নামের একটি নিয়োগ সংস্থার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সংস্থার এক কর্মীর বিরুদ্ধে মানব পাচারের মামলা চলছে। কেনিয়া সরকার জানিয়েছে, প্রায় ২০০ কেনিয়ানকে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল, যাদের মধ্যে ২৩ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
যুদ্ধক্ষেত্রে তারা আফ্রিকার আরও কয়েকটি দেশের নাগরিকদের দেখেছেন বলেও জানিয়েছেন। ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অনেক সহযোদ্ধা নিহত হয়েছেন এবং অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন। দেশে ফিরে এলেও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন অনেকে। নিহতদের পরিবারও গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।