ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গৃহীত সব কার্যক্রমের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। রিটে ওই সরকারের সময়ে নেওয়া আইন প্রণয়ন, সংস্কার কমিশন গঠন এবং দেশি-বিদেশি চুক্তিসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব বিষয়ে একটি অনুসন্ধান কমিশন গঠনের আবেদন জানানো হয়েছে। রিটে আরও দাবি করা হয়েছে, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দেওয়া হোক। রোববার (৩ মে) জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ। এতে কেবিনেট সচিব এবং আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। বিষয়টি সোমবার (৪ মে) তিনি নিজেই নিশ্চিত করেন। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন ও শপথের বৈধতা নিয়েও একই আইনজীবী রিট করেছিলেন, যা হাইকোর্ট খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে আপিল বিভাগও সেই রায় বহাল রাখে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সংসদ ভেঙে দিয়ে ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে রাষ্ট্রপতির আহ্বানে সুপ্রিম কোর্ট সাংবিধ
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গৃহীত সব কার্যক্রমের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে।
রিটে ওই সরকারের সময়ে নেওয়া আইন প্রণয়ন, সংস্কার কমিশন গঠন এবং দেশি-বিদেশি চুক্তিসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব বিষয়ে একটি অনুসন্ধান কমিশন গঠনের আবেদন জানানো হয়েছে।
রিটে আরও দাবি করা হয়েছে, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দেওয়া হোক।
রোববার (৩ মে) জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ। এতে কেবিনেট সচিব এবং আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। বিষয়টি সোমবার (৪ মে) তিনি নিজেই নিশ্চিত করেন।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন ও শপথের বৈধতা নিয়েও একই আইনজীবী রিট করেছিলেন, যা হাইকোর্ট খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে আপিল বিভাগও সেই রায় বহাল রাখে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সংসদ ভেঙে দিয়ে ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে রাষ্ট্রপতির আহ্বানে সুপ্রিম কোর্ট সাংবিধানিক শূন্যতা মোকাবিলায় অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের বৈধতা বিষয়ে মতামত দেয়।
নতুন এই রিটের শুনানি এবং আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপ এখন রাজনৈতিক ও আইনগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
What's Your Reaction?