ইউরোপে পাঠানোর নামে অর্থ আত্মসাৎ, চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার
ইতালি, জার্মানিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মানবপাচার ও প্রতারণা চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৪। গ্রেফতাররা হলেন- মো. এজাজুল হক ওরফে রতন (৬৩), মোছা. নার্গিস বেগম (৪০) ও মো. বাদল (৫৫)। রাজধানীর মিরপুর ও সাভারের আশুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। শনিবার (৬ জুন) মিরপুরে র্যাব-৪ সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার কে এন রায় নিয়তি। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গাজীপুরের বাসিন্দা ইমরান হোসেন সম্প্রতি প্রতারণার শিকার হয়ে র্যাবের কাছে অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, অভিযুক্তরা তাকে ইতালিতে পাঠানোর কথা বলে ২২ লাখ টাকার চুক্তি করেন। পরে বিভিন্ন সময়ে ইতালি, জার্মানি ও কানাডায় পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে মোট প্রায় ১৯ লাখ টাকা আদায় করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে ইতালিতে চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়া হলেও পরে জানানো হয়, ইতালি সরকার লোক নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এরপর জার্মানিতে পাঠানোর কথা বলে আরও অর্থ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে কাগজপত্রে ত্রুটির অজুহাত দেখিয়ে কানাডায় পাঠানোর আ
ইতালি, জার্মানিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মানবপাচার ও প্রতারণা চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৪।
গ্রেফতাররা হলেন- মো. এজাজুল হক ওরফে রতন (৬৩), মোছা. নার্গিস বেগম (৪০) ও মো. বাদল (৫৫)। রাজধানীর মিরপুর ও সাভারের আশুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
শনিবার (৬ জুন) মিরপুরে র্যাব-৪ সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার কে এন রায় নিয়তি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গাজীপুরের বাসিন্দা ইমরান হোসেন সম্প্রতি প্রতারণার শিকার হয়ে র্যাবের কাছে অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, অভিযুক্তরা তাকে ইতালিতে পাঠানোর কথা বলে ২২ লাখ টাকার চুক্তি করেন। পরে বিভিন্ন সময়ে ইতালি, জার্মানি ও কানাডায় পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে মোট প্রায় ১৯ লাখ টাকা আদায় করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে ইতালিতে চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়া হলেও পরে জানানো হয়, ইতালি সরকার লোক নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এরপর জার্মানিতে পাঠানোর কথা বলে আরও অর্থ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে কাগজপত্রে ত্রুটির অজুহাত দেখিয়ে কানাডায় পাঠানোর আশ্বাস দেওয়া হয়। এসময় ভিসা, মেডিকেল, ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও বিমান টিকিটের খরচের কথা বলে আরও টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও বিদেশে পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। একপর্যায়ে ইমরান হোসেন অভিযুক্ত রতনের অফিসে গিয়ে জানতে পারেন, অফিসটি কয়েক মাস আগেই বন্ধ হয়ে গেছে। পরে তিনি শাহ আলী থানায় মামলা করেন।
র্যাব জানায়, মামলার পর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ছায়া তদন্ত শুরু করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামতও জব্দ করা হয়।
কে এন রায় নিয়তি বলেন, এই চক্রের বিরুদ্ধে আরও কয়েকজন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বিদেশে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা ও মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রগুলোর বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন র্যাবের এই কর্মকর্তা।
টিটি/একিউএফ
What's Your Reaction?