ইতালি পাঠানোর নামে প্রতারণার অভিযোগ

ইতালিতে লোক পাঠানোর নামে প্রতারণা করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ‍উঠেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা ফেরতের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা। রোববার (৩১ মে) সকালে সদর উপজেলার বারঘরিয়া ব্রিজ চত্বরে ‘চামাগ্রাম ভ্যালাপাড়ার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার’-এর ব্যানারে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, বারঘরিয়া ইউনিয়নের রবু মেম্বারের ছেলে মোহাম্মদ আলী কালু ও তার ভাই পালু ২০২২ সালে ইতালিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এলাকার ১২ যুবকের কাছ থেকে প্রায় ৯০ লাখ টাকা নেন। পরে তাদের কাছে যে ভিসা সরবরাহ করা হয়, তা ইতালির দূতাবাসে যাচাইয়ের জন্য জমা দিলে জাল বলে শনাক্ত হয়। বক্তারা বলেন, ভিসা জাল প্রমাণিত হওয়ার পর তারা অভিযুক্তদের কাছে টাকা ফেরত চাইলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। বরং পাওনা টাকা চাইতে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী আশিক আলী, নূর ইসলাম, নূরনাহার খাতুন, সুল

ইতালি পাঠানোর নামে প্রতারণার অভিযোগ
ইতালিতে লোক পাঠানোর নামে প্রতারণা করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ‍উঠেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা ফেরতের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা। রোববার (৩১ মে) সকালে সদর উপজেলার বারঘরিয়া ব্রিজ চত্বরে ‘চামাগ্রাম ভ্যালাপাড়ার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার’-এর ব্যানারে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, বারঘরিয়া ইউনিয়নের রবু মেম্বারের ছেলে মোহাম্মদ আলী কালু ও তার ভাই পালু ২০২২ সালে ইতালিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এলাকার ১২ যুবকের কাছ থেকে প্রায় ৯০ লাখ টাকা নেন। পরে তাদের কাছে যে ভিসা সরবরাহ করা হয়, তা ইতালির দূতাবাসে যাচাইয়ের জন্য জমা দিলে জাল বলে শনাক্ত হয়। বক্তারা বলেন, ভিসা জাল প্রমাণিত হওয়ার পর তারা অভিযুক্তদের কাছে টাকা ফেরত চাইলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। বরং পাওনা টাকা চাইতে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী আশিক আলী, নূর ইসলাম, নূরনাহার খাতুন, সুলেখা খাতুনসহ আরও কয়েকজন। বক্তারা বলেন, বিদেশে গিয়ে পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির আশায় অনেকেই জমি বিক্রি, ঋণ গ্রহণ ও স্বজনদের কাছ থেকে ধার করে টাকা জোগাড় করেছিলেন। কিন্তু প্রতারণার শিকার হয়ে তারা এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। তারা অবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, অর্থ আত্মসাতের ঘটনার তদন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা ফেরত নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী কালু ও তার ভাই পালুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow