মস্কো-বেইজিং সম্পর্ক ‌‘অভূতপূর্ব পর্যায়ে’ আছে: পুতিন

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়া-চীন সম্পর্ক বিশ্বে ‘স্থিতিশীলতার’ শক্তি। চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনার আগে পুতিন মস্কো ও বেইজিংয়ের গভীরতর সম্পর্ককে বিশ্ব মঞ্চে একটি ‘স্থিতিশীলতার’ শক্তি হিসেবে প্রশংসা করেছেন। খবর আল জাজিরার। মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া দুই দিনের চীন সফরের আগে এক ভাষণে পুতিন বলেন, মস্কো ও বেইজিং অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে জোট বাঁধতে চায় না, বরং ‘শান্তি ও সার্বজনীন সমৃদ্ধির’ জন্য একসঙ্গে কাজ করতে চায়। পুতিন বলেন, এই মনোভাব নিয়েই মস্কো ও বেইজিং আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিমালা সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করার জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। পুতিন আরও বলেন, রাশিয়া ও চীন জাতিসংঘ, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা, ব্রিকস এবং অন্যান্য বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মের কাঠামোর মধ্যে সহযোগিতাকে সমর্থন করে, যা জরুরি বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সমস্যা সমাধানে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। পুতিন বলেছেন, মস্কো-বেইজিং সম্পর্ক এক অভূতপূর্ব পর্যায়ে বিকশিত হয়েছে এবং উভয় পক্ষ এখন সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের সুরক্ষার মতো মৌলিক বিষয়ে একে অপরকে সমর্থন

মস্কো-বেইজিং সম্পর্ক ‌‘অভূতপূর্ব পর্যায়ে’ আছে: পুতিন

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়া-চীন সম্পর্ক বিশ্বে ‘স্থিতিশীলতার’ শক্তি। চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনার আগে পুতিন মস্কো ও বেইজিংয়ের গভীরতর সম্পর্ককে বিশ্ব মঞ্চে একটি ‘স্থিতিশীলতার’ শক্তি হিসেবে প্রশংসা করেছেন। খবর আল জাজিরার।

মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া দুই দিনের চীন সফরের আগে এক ভাষণে পুতিন বলেন, মস্কো ও বেইজিং অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে জোট বাঁধতে চায় না, বরং ‘শান্তি ও সার্বজনীন সমৃদ্ধির’ জন্য একসঙ্গে কাজ করতে চায়।

পুতিন বলেন, এই মনোভাব নিয়েই মস্কো ও বেইজিং আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিমালা সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করার জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

পুতিন আরও বলেন, রাশিয়া ও চীন জাতিসংঘ, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা, ব্রিকস এবং অন্যান্য বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মের কাঠামোর মধ্যে সহযোগিতাকে সমর্থন করে, যা জরুরি বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সমস্যা সমাধানে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

পুতিন বলেছেন, মস্কো-বেইজিং সম্পর্ক এক অভূতপূর্ব পর্যায়ে বিকশিত হয়েছে এবং উভয় পক্ষ এখন সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের সুরক্ষার মতো মৌলিক বিষয়ে একে অপরকে সমর্থন করছে।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত এক ভাষণে পুতিন বলেন, রাশিয়া ও চীন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছে এবং রাজনীতি, অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষায় সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা বৃদ্ধি করছে, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান প্রসারিত করছে এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে উৎসাহিত করছে। উভয় দেশের কল্যাণে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা গভীর করতে এবং বৈশ্বিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে যৌথভাবে কাজ করছে তারা।

এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় বারের মতো মুখোমুখি বৈঠক করতে যাচ্ছেন শি জিনপিং এবং পুতিন। এই শীর্ষ সম্মেলনটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন বিশ্বজুড়ে প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করার ক্ষেত্রে রাশিয়া ও চীন ক্রমবর্ধমানভাবে একমত হচ্ছে বলে ব্যাপকভাবে মনে করা হচ্ছে।

উভয় পক্ষের মধ্যে প্রতিবেশীসুলভ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা চুক্তির ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে পুতিনের এই সফরটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা শি জিনপিং এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিংয়ে দুই দিনের শীর্ষ সম্মেলন শেষ করার মাত্র কয়েকদিন পরেই হচ্ছে।

টিটিএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow