চলনবিলে মৎস্য গবেষণাগার নির্মাণ করা হবে : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী
নাটোরের গুরুদাসপুরে ফিস প্রসেসিং সেন্টার ও মৎস্য গবেষণাগার নির্মাণ করা হবে বলে জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, চলনবিল অঞ্চলে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি মাছ রপ্তানির জন্য নতুন বাজার খোঁজা হচ্ছে। শনিবার (৯ মে) বিকেল ৫টার দিকে নাটোরের গুরুদাসপুরের চাপিলা ইউনিয়নের বৃ-পাথুরিয়া এলাকায় আয়োজিত মৎস্য চাষি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলনবিল অধ্যুষিত জেলা নাটোর হলেও পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলার কিছু অংশও এ বিলাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এ অঞ্চল থেকে বছরে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার মাছ উৎপাদিত হয়। উৎপাদিত মাছের বাজার সম্প্রসারণ ও রপ্তানি বাড়াতে আধুনিক ফিস প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি একটি মৎস্য গবেষণাগার স্থাপন করা হবে, যা নতুন প্রজাতির মাছ উদ্ভাবনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, দেশীয় খামারিদের সুরক্ষা দিতে ভারত থেকে যেন অবৈধভাবে কোনো পশু দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)–কে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখ
নাটোরের গুরুদাসপুরে ফিস প্রসেসিং সেন্টার ও মৎস্য গবেষণাগার নির্মাণ করা হবে বলে জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
তিনি বলেন, চলনবিল অঞ্চলে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি মাছ রপ্তানির জন্য নতুন বাজার খোঁজা হচ্ছে।
শনিবার (৯ মে) বিকেল ৫টার দিকে নাটোরের গুরুদাসপুরের চাপিলা ইউনিয়নের বৃ-পাথুরিয়া এলাকায় আয়োজিত মৎস্য চাষি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলনবিল অধ্যুষিত জেলা নাটোর হলেও পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলার কিছু অংশও এ বিলাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এ অঞ্চল থেকে বছরে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার মাছ উৎপাদিত হয়। উৎপাদিত মাছের বাজার সম্প্রসারণ ও রপ্তানি বাড়াতে আধুনিক ফিস প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি একটি মৎস্য গবেষণাগার স্থাপন করা হবে, যা নতুন প্রজাতির মাছ উদ্ভাবনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, দেশীয় খামারিদের সুরক্ষা দিতে ভারত থেকে যেন অবৈধভাবে কোনো পশু দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)–কে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখ বেশি পশু রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশীয় খামারিরা যাতে লোকসানের মুখে না পড়েন, সেজন্য সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হবে।
এর আগে মৎস্য চাষী কল্যাণ সমিতির চত্বরে বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী বৃ-পাথুরিয়া স্কুল মাঠে আয়োজিত মৎস্য উপকরণ, আধুনিক মাছ চাষ এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর স্টল পরিদর্শন করেন।
পরে সেখানে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ এবং জিয়া হায়দার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রতন কুমার শাহা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
What's Your Reaction?