ইতিহাস গড়ে জিতল স্কটল্যান্ড
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের দেখা পেল স্কটল্যান্ড। আজ সোমবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে তারা ৭৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাওয়া ইতালিকে।
প্রথম দুই দিনে ম্যাচ হয়েছে ৬টি, খেলেছে ভারত, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলগুলো। কিন্তু আগে ব্যাট করে এই দলগুলোর কেউই দুই শ রানের ঘর ছুঁতে পারেনি। অবশেষে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০০ রানের দেখা পেল আজ সপ্তম ম্যাচে।
কলকাতায় ইতালির বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে স্কটল্যান্ড করেছে ৪ উইকেটে ২০৭। যা এবারের আসরের প্রথম দুই শ তো বটেই, টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো সহযোগী সদস্য দেশেরও প্রথম।
রেকর্ড গড়া ম্যাচটিতে রান তাড়ায় নামা ইতালিকে ১৩৪ রানে আটকে দিয়ে ৭৩ রানের বড় জয় পেয়েছে স্কটল্যান্ড। এবারের আসরে স্কটিশদের এটি দ্বিতীয় ম্যাচ হলেও ইতালির প্রথম ছিল। এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে ইউরোপের দেশটি।
কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে টসে জিতে আগে স্কটল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ইতালি। ক্রিকেট বিশ্বকাপের মূল পর্বে এটি ইতালির ক্রিকেটের ইতিহাসের প্রথম ম্যাচ। আগে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার জর্জ মানসি এবং মাইকেল জোনসের ব্যাটে ভর করে ভালো শুরু পায়
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের দেখা পেল স্কটল্যান্ড। আজ সোমবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে তারা ৭৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাওয়া ইতালিকে।
প্রথম দুই দিনে ম্যাচ হয়েছে ৬টি, খেলেছে ভারত, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলগুলো। কিন্তু আগে ব্যাট করে এই দলগুলোর কেউই দুই শ রানের ঘর ছুঁতে পারেনি। অবশেষে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০০ রানের দেখা পেল আজ সপ্তম ম্যাচে।
কলকাতায় ইতালির বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে স্কটল্যান্ড করেছে ৪ উইকেটে ২০৭। যা এবারের আসরের প্রথম দুই শ তো বটেই, টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো সহযোগী সদস্য দেশেরও প্রথম।
রেকর্ড গড়া ম্যাচটিতে রান তাড়ায় নামা ইতালিকে ১৩৪ রানে আটকে দিয়ে ৭৩ রানের বড় জয় পেয়েছে স্কটল্যান্ড। এবারের আসরে স্কটিশদের এটি দ্বিতীয় ম্যাচ হলেও ইতালির প্রথম ছিল। এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে ইউরোপের দেশটি।
কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে টসে জিতে আগে স্কটল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ইতালি। ক্রিকেট বিশ্বকাপের মূল পর্বে এটি ইতালির ক্রিকেটের ইতিহাসের প্রথম ম্যাচ। আগে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার জর্জ মানসি এবং মাইকেল জোনসের ব্যাটে ভর করে ভালো শুরু পায় স্কটল্যান্ড। দেখেশুনে এগিয়েছেন জোনস। আরেক প্রান্তে মানসি ছিলেন আগ্রাসী। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৪৯ রান তোলে স্কটল্যান্ড।
পাওয়ারপ্লে শেষেও চলেছে মানসির তাণ্ডব। দারুণভাবে সঙ্গ দিয়ে গেছেন জোনস। দুজনের কার্যকরী ব্যাটিংয়ে রকেটের গতিতে এগিয়েছে স্কটল্যান্ডের ইনিংস। পরিস্থিতি বুঝে রানের গতি বাড়িয়েছেন দুজন। উইকেটের চারপাশে দারুণ সব শটে বের করেছেন রান।
ওপেনিং জুটি পার করে ফেলে ১০০ রান। মানসিও তুলে নেন দারুণ এক ফিফটি। এরপরেও অপ্রতিরোধ্য ছিলেন মানসি। ফিফটির পর ছুটেছেন সেঞ্চুরির দিকে। তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারের খুব কাছে গিয়ে থামতে হয়েছে তাকে। দলের ১২৬ রানের মাথাতে ভেঙেছে ওপেনিং জুটি, ৫৪ বলে ৮৪ রানের ঝলমলে এক ইনিংস খেলে বিদায় নেন মানসি। পরের ওভারেই থেমেছেন জোনস। ৩০ বলে ৩৭ রান করে বিদায় নেন তিনি।
এরপর বেধড়ক পিটুনি শুরু করেন তিনে নামা ব্রেন্ডন ম্যাকমুলেন। চারে নামা অধিনায়ক রিচি বেরিংটনও কম যাননি। শেষ দিকে দ্রুত গতিতে রান তুলেছেন দুজন। ইতালির বোলারদের পিটিয়ে তক্তা বানিয়েছেন। শেষের আগের ওভারে আউট হওয়া বেরিংটন করেছেন ১১ বলে ১৫ রান। ম্যাকমুলেন ফিফটির কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। ২০০ রানের কাছাকাছি চলে যায় স্কটল্যান্ড।
নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় স্কটিশরা। ১৮ বলে ৪১ রান করে টিকে ছিলেন ম্যাকমুলেন। এছাড়া মাইকেল লিস্ক অপরাজিত ছিলেন ৫ বলে ২২ রান করে।
এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবার ২০০ পার করলো কোনো দল। সহযোগী সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০০ পার করলো কোনো দল। স্কটল্যান্ডের ইতিহাসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ সংগ্রহের রেকর্ডও এটি। ইতালির হয়ে ১টি করে উইকেট নেন জেজে স্মার্টস, আলি হাসান এবং গ্র্যান্ট স্টেওয়ার্ট।
জবাব দিতে নেমে প্রথম বলেই উইকেট হারিয়েছে ইতালি। গোল্ডেন ডাক মেরে সাজঘরে ফিরে যান জাস্টিন মোসকা। আরেক ওপেনার অ্যান্থনি মোসকা এবং জেজে স্মাটস মিলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ভালো শুরু পেলেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি দুজন। অ্যান্থনি ১২ বলে ১৩ রান করে দলের ৪০ রানের মাথাতে থেমেছেন। এর আগে ফিরেছেন স্মাটস। ১১ বলে ২২ রানের ক্যামিও খেলে দলীয় ৩২ রানের মাথাতে বিদায় নেন তিনি।
এরপর প্রতিরোধ গড়েছেন হ্যারি মানেতি এবং বেন মানেতি। দুজনের ধুন্ধুমার ব্যাটিংয়ে গতি পায় ইতালির ইনিংস। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৫৪ রান তোলে ইতালি।
পাওয়ারপ্লে শেষেও ছুটেছেন দুই মানেতি হ্যারি এবং বেন। দুজনের ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে চলেছে ইতালির তাণ্ডব। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দলের রানের চাকা সচল রাখেন দুজন। ফিফটির কাছাকাছি চলে যান দুজনই। তবে ফিফটির আগেই থেমেছেন হ্যারি, ২৫ বলে ৩৭ রান করে দলের ১১৩ রানের মাথাতে বিদায় নেন তিনি।
ফিফটি ছুঁয়ে বেন থেমেছেন দলের ১২৯ রানের মাথাতে। ৩১ বলে ৫২ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে বিদায় নেন বেন মানেতি। এরপরই যেন ধসে যায় ইতালির ইনিংস। মাত্র ৫ রানের মধ্যে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রানে অলআউট হয়েছে ইতালি। চোটের কারণে ব্যাটিংয়ে নামা হয়নি ইতালির অধিনায়ক ওয়েইন ম্যাডসেনের। ৭৩ রানের বড় জয় পায় ইতালি।
স্কটল্যান্ডের হয়ে মাইকেল লিস্ক নেন ৪ উইকেট। ২ উইকেট শিকার করেছেন মার্ক ওয়াট। ১টি করে উইকেট তুলেছেন ব্র্যাড কারি, ব্র্যাড হোয়েল এবং ওলিভার ডেভিডসন।