ইফতারির বেগুনে তাজা পোকা, ভোজন বিলাসসহ ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
ইফতারির বেগুনে তাজা পোকা থাকার অপরাধে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ভোজন বিলাসসহ ৩ প্রতিষ্ঠান থেকে ২২ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কোর্ট মোড় ও বড় বাজার এলাকায় তদারকিমূলক অভিযানে এ জমিানা আদায় করা হয়।
অভিযান চলাকালে খাদ্যে নিষিদ্ধ উপাদান মিশ্রণের অপরাধে মো. রশিদুল হকের মেসার্স জমজম হোটেলকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ফ্রিজে মেয়াদোত্তীর্ণ ইনসুলিন সংরক্ষণের দায়ে মো. রফিকুল আলমের রনক ড্রাগ হাউসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, ইফতারির জন্য প্রস্তুতকৃত পোকাযুক্ত বেগুন ব্যবহার করে বেগুনি তৈরির অপরাধে এ এম এম আরিফের ভোজন বিলাস রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে ৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ২২ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত সমস্যাগুলো সমাধান করে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে অভিযানকালে হোটেল, গ্যাসের দোকান ও ফলের দোকানেও তদারকি করা হয়। ব্যবসায়ীদের মানসম্মত পণ্য বিক্রি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ বা নিম্নমানের
ইফতারির বেগুনে তাজা পোকা থাকার অপরাধে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ভোজন বিলাসসহ ৩ প্রতিষ্ঠান থেকে ২২ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কোর্ট মোড় ও বড় বাজার এলাকায় তদারকিমূলক অভিযানে এ জমিানা আদায় করা হয়।
অভিযান চলাকালে খাদ্যে নিষিদ্ধ উপাদান মিশ্রণের অপরাধে মো. রশিদুল হকের মেসার্স জমজম হোটেলকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ফ্রিজে মেয়াদোত্তীর্ণ ইনসুলিন সংরক্ষণের দায়ে মো. রফিকুল আলমের রনক ড্রাগ হাউসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, ইফতারির জন্য প্রস্তুতকৃত পোকাযুক্ত বেগুন ব্যবহার করে বেগুনি তৈরির অপরাধে এ এম এম আরিফের ভোজন বিলাস রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে ৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ২২ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত সমস্যাগুলো সমাধান করে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে অভিযানকালে হোটেল, গ্যাসের দোকান ও ফলের দোকানেও তদারকি করা হয়। ব্যবসায়ীদের মানসম্মত পণ্য বিক্রি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ বা নিম্নমানের পণ্য বিক্রি না করার জন্য সতর্ক করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। এ সময় সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজীব পাল, সদর পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নার্গিস জাহান, ক্যাব প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশের একটি টিম।