ইফতারের শুরুতে কয় গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যকর

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের সময় সবারই তীব্র তৃষ্ণা লাগে। তখন এক নিঃশ্বাসে কয়েক গ্লাস পানি পান করে ফেলাই স্বাভাবিক মনে হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো - ইফতারের শুরুতে আসলে কতটুকু পানি পান করা স্বাস্থ্যসম্মত? পুষ্টিবিদদের মতে, দীর্ঘ সময় না খেয়ে ও পানি না পান করে থাকার পর শরীর কিছুটা ডিহাইড্রেটেড অবস্থায় থাকে। তাই ইফতারের শুরুতে ধীরে ধীরে পানি পান করা সবচেয়ে ভালো কৌশল। সাধারণভাবে ১ গ্লাস (২০০–২৫০ মিলিলিটার) পানি দিয়ে শুরু করা নিরাপদ ও উপকারী। কয়েক মিনিট বিরতি নিয়ে প্রয়োজনে আরেক গ্লাস পান করা যেতে পারে। একসঙ্গে ৩–৪ গ্লাস পানি খেলে পেটে চাপ তৈরি হতে পারে, ফলে অস্বস্তি, বমিভাব বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। অল্প অল্প করে পানি পান করলে শরীর তা ভালোভাবে শোষণ করতে পারে। হঠাৎ অতিরিক্ত পানি খেলে সাময়িকভাবে রক্তে সোডিয়ামের ঘনত্ব কমে যেতে পারে, যা দুর্বলতা বা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। তাই স্লো অ্যান্ড স্টেডি পদ্ধতিই সবচেয়ে কার্যকর। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত মোট ৬-৮ গ্লাস পানি পান করার পরিকল্পনা করা ভালো। ইফতারের সময় ১-২ গ্লাস, রাতের খাবারের পর ২-৩ গ্লাস এবং সেহরির সময়

ইফতারের শুরুতে কয় গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যকর

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের সময় সবারই তীব্র তৃষ্ণা লাগে। তখন এক নিঃশ্বাসে কয়েক গ্লাস পানি পান করে ফেলাই স্বাভাবিক মনে হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো - ইফতারের শুরুতে আসলে কতটুকু পানি পান করা স্বাস্থ্যসম্মত?

পুষ্টিবিদদের মতে, দীর্ঘ সময় না খেয়ে ও পানি না পান করে থাকার পর শরীর কিছুটা ডিহাইড্রেটেড অবস্থায় থাকে। তাই ইফতারের শুরুতে ধীরে ধীরে পানি পান করা সবচেয়ে ভালো কৌশল। সাধারণভাবে ১ গ্লাস (২০০–২৫০ মিলিলিটার) পানি দিয়ে শুরু করা নিরাপদ ও উপকারী। কয়েক মিনিট বিরতি নিয়ে প্রয়োজনে আরেক গ্লাস পান করা যেতে পারে।

একসঙ্গে ৩–৪ গ্লাস পানি খেলে পেটে চাপ তৈরি হতে পারে, ফলে অস্বস্তি, বমিভাব বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ইফতারের শুরুতে কয় গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যকর

অল্প অল্প করে পানি পান করলে শরীর তা ভালোভাবে শোষণ করতে পারে। হঠাৎ অতিরিক্ত পানি খেলে সাময়িকভাবে রক্তে সোডিয়ামের ঘনত্ব কমে যেতে পারে, যা দুর্বলতা বা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। তাই স্লো অ্যান্ড স্টেডি পদ্ধতিই সবচেয়ে কার্যকর।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত মোট ৬-৮ গ্লাস পানি পান করার পরিকল্পনা করা ভালো। ইফতারের সময় ১-২ গ্লাস, রাতের খাবারের পর ২-৩ গ্লাস এবং সেহরির সময় ১-২ গ্লাস - এভাবে ভাগ করে নিলে শরীর সঠিকভাবে হাইড্রেটেড থাকে।

ইফতারের শুরুতে কয় গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যকর

তবে যাদের কিডনি রোগ, হৃদ্‌রোগ বা ফ্লুইড রেস্ট্রিকশনের নির্দেশ আছে, তাদের ক্ষেত্রে পানির পরিমাণ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করা উচিত।

সব মিলিয়ে বলা যায়, ইফতারের শুরুতে ১ গ্লাস পানি দিয়ে ধীরে ধীরে শরীরকে প্রস্তুত করাই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়। তৃষ্ণা যতই লাগুক, একসঙ্গে অতিরিক্ত পানি নয়।

সূত্র: ওয়েবএমডি, হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিং, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

এএমপি/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow