ইরাকে ন্যাটোর মিশন স্থগিত, বাগদাদ ছাড়লো পশ্চিমা সেনারা
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এবার ইরাকের নিরাপত্তা সমীকরণও বদলে দিচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় ইরাকে নিজেদের মিশন স্থগিত করে বেশিরভাগ সেনা সরিয়ে নিয়েছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। দুই ইরাকি নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এরই মধ্যে ন্যাটো মিশনের সঙ্গে সংযুক্ত বেশিরভাগ সদস্যকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন উচ্চপদস্থ ইরাকি কর্মকর্তা বলেন, ইরাক সরকারের সঙ্গে তাদের কোনো মতবিরোধ নেই। এটি একটি সাময়িক প্রত্যাহার। বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় নিরাপত্তা নিয়ে জোটটি উদ্বিগ্ন। অন্য এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, হাতেগোনা কয়েকজন সদস্য ছাড়া পুরো ‘ন্যাটো মিশন’ ইরাক থেকে আপাতত চলে গেছে। শুক্রবার ন্যাটোর একজন মুখপাত্রও নিশ্চিত করেছেন, তারা তাদের ইরাক মিশন ‘অ্যাডজাস্ট’ বা সমন্বয় করছেন। ন্যাটোর এই মিশনের সদর দপ্তর বাগদাদের উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত ‘গ্রিন জোন’-এ মার্কিন দূতাবাসের পাশেই অবস্থিত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই এলাকাটি একাধিকবার হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। মূ
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এবার ইরাকের নিরাপত্তা সমীকরণও বদলে দিচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় ইরাকে নিজেদের মিশন স্থগিত করে বেশিরভাগ সেনা সরিয়ে নিয়েছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো।
দুই ইরাকি নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এরই মধ্যে ন্যাটো মিশনের সঙ্গে সংযুক্ত বেশিরভাগ সদস্যকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন উচ্চপদস্থ ইরাকি কর্মকর্তা বলেন, ইরাক সরকারের সঙ্গে তাদের কোনো মতবিরোধ নেই। এটি একটি সাময়িক প্রত্যাহার। বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় নিরাপত্তা নিয়ে জোটটি উদ্বিগ্ন।
অন্য এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, হাতেগোনা কয়েকজন সদস্য ছাড়া পুরো ‘ন্যাটো মিশন’ ইরাক থেকে আপাতত চলে গেছে।
শুক্রবার ন্যাটোর একজন মুখপাত্রও নিশ্চিত করেছেন, তারা তাদের ইরাক মিশন ‘অ্যাডজাস্ট’ বা সমন্বয় করছেন।
ন্যাটোর এই মিশনের সদর দপ্তর বাগদাদের উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত ‘গ্রিন জোন’-এ মার্কিন দূতাবাসের পাশেই অবস্থিত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই এলাকাটি একাধিকবার হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। মূলত এই ধারাবাহিক হামলা ও সম্ভাব্য বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি এড়াতেই ন্যাটো এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
কেএএ/
What's Your Reaction?